এক বৈকালিক বৈশাখ
নিদাঘী দুপুর বিষণ্ণতার চাদর জড়ানো।
রোদের হলকা সারা পরিবেশকে তপ্ত করে তুলেছে।
দূর থেকে কুবোর ডাকে দুপুরের বিষন্নতার চাদরে টান লাগে।
গরম হাওয়ায় ঘূর্ণি ওডে শুকনোপাতা খডকুটো কে মাথায় করে।
চিলের তীক্ষ্ণ স্বরে দুপুর যেন চমকে ওঠে।
দিগন্তলীনচিত্রপট জ্বলজ্বল করে মরীচিকার মায়াতে।
রাঙা পথের বাঁকে রোদটা যেন ধীর পায়ে চলেছে—-
ঝিলের জলে কাঁপন তোলে গরম হাওয়া টা!
কলমি লতা ফুলের মৌ মাছির আনাগোনা দুপুরের বিষণ্ণতাকে ভোলাতে চায়।
জল মাকড়সার আলপনা ঝিলের জলে আলোড়ন তোলে।
পানি কাক ডানা শুকায় ঝিলপাড়ের শিরিষ গাছে। দুঃখি বিষন্ন দুপুর
ধীরে ধীরে গডিয়ে চলে।
রোদের তেজ কমে
মাছরাঙ্গাটা ঝুপ করে জলে ঝাঁপ দেয়।
বিষন্ন দুপুরের সূর্য ঝিলের জলে ভেঙ্গে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে মিলিয়ে যায়।
দুপুর শেষে হালকা হাওয়াটা বয়ে চলে—– দিগন্ত পেরিয়ে!
ক্লান্ত ধরিত্রী শান্ত হয়। স্নিগ্ধতার প্রলেপ জড়ানো বৈশাখী বিকেলের মায়ায় চরাচর আবিষ্ট হয়।
