রাত্রি গভীর হলে ফিরে এসো || Robbin Pramanick
রাত্রি গভীর হলে সদর দরজায় কড়া নাড়েকে যেন, দরজার ওপারে…
রাত্রি গভীর হলে সদর দরজায় কড়া নাড়েকে যেন, দরজার ওপারে…
গভীর দিঘির জলে,ও মেয়ে তুই কি জল -ছবি ?তোর নেই…
ভোর রাতে ঘুম ভেঙ্গে ব্যালকনিতে দাঁড়াতেইকয়েকটি নক্ষত্র আকাশ থেকে টুপ…
আজ কাল আমার রাত্রে ভাল ঘুম হয় না –হেমন্তের ছেড়া…
দহনে দাহনে জ্বলে আগুন অন্তর-বনভূমিউলুখাগড়ার প্রাণ যায় – চির দিন…
এই ঋতুটা বড়ই দোলাচালে চলে –এক ঝাঁক বাদামী পাতা প্রহর…
আমার মাকে আমি কখনো রঙিন শাড়ি পরতে দেখিনিকখনো গয়না পরতে…
রোজ সকলে একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, বয়সেশৈশবে দেয়ালার মত…
নীল আকাশের নিচে এলোমেলো সাদা মেঘভেসে যায় সরোবরে বুকের মৃদুল…
ভালবাসি বলে কেন কিছু মনে হয় !সে কি এক হরমোনের…
রাত্রি নামলে হিম যুগ বয়ে আনেসাদা বরফের চূর্ণ চূর্ণ গুড়োপ্রাগৈতিহাসিক…
তুমি আকাশের দিকে তাকালে তোমাকে আকাশ বলেই মনে হয়মেঘের দিকে…
বুকের মধ্যে আকাশ এলেহাতের মুঠো আলো অনন্তআউল বাউল বসুন্ধরাভাসিয়ে দিল…
নদীটাও আজ খুলেছে বসন মুক্ত বিহঙ্গ আকাশসকল সাজে মুক্তির সাধে…
এখনও ভাসেনি চাঁদ কালিন্দির জলেএখনও ডাকেনি পাখি পলাশের ডালেঘাসের শিশির…
মরণ যেন করুন সুখের মহোৎসবমরণ মানে ফিরে আসার নূতন রবমরণ…
এখানে শান্ত নীরবতা – ডুবে আছি মেঘলা দিনের মতনিজের মধ্যে…
তখন তুমি কুমারী নদীর চৈত্রের দুপুর –এসেছিলে একদিন ,যখন তুমি…
তুমি যখন প্রথম দিলে ধরাবনে বনে উঠল বেজে জয়ের শঙ্খ…
ফুল ফোটেজ্যোৎস্না ওঠেবধূর গোপন ঘরে,একলা বধূ , খিল দিয়েছে দোরে…
তোমাকে কী লিখব’ ঠাকুর !একদিন বুনেছিলে অন্তরে শান্তির বীজ –ভেঙ্গে…
স্মৃতিরা কিছু ছোট ছোট নির্জন দ্বীপ যেনমাঝে মাঝে ফিরে আসে…
নীল জলে এতো মায়া !ও মেয়ে তোর কাজল টানা বিস্তীর্ণ…
তুমি যখন প্রথম দিলে ধরাবনে বনে উঠল বেজে জয়ের শঙ্খ…
এখন বসন্ত কাল –গাছে গাছে সেজেছে রঙের আগুনফসলের মাঠে প্রখর…
পাথরের ফাটলে জন্ম নিয়েছে কাঁটাঝোপ গুল্মলতাকোথা থেকে এসে উঁকি দিচ্ছে…
বসুন্ধরা চেয়ে আছে জানালায়নাকে ভেসে আসছে কেঁয়াফুলের গন্ধকে পাঠায় এমন…
তখন বুকের কাছে অজস্র ঢেউ -এচারিদিকে উজ্জ্বল আলোর রেখা –হাস্নুহানার…
বুকের অলিন্দে আনন্দে সঙ্গীতবাজে ,তোমার শরীর বেয়ে ঝরেশিশির ফোঁটার আস্ফালন…
আজ নীল আকাশ শুভ্র মেঘ খন্ডের স্বপ্ন আঁকা নয়ন,কোথায় যায়…
এই পথে রোজ তরুণ তুর্কির মত বালকের চোখে ভোর আসে,এই…
বুকে শুধু যুদ্ধ আর যুদ্ধের দামামাযুদ্ধ যুদ্ধ খেলা কালো ছায়া…