রবীন প্রামাণিক
লেখক পরিচিতি
—————————
নাম : রবীন প্রামাণিক
অবসর প্রাপ্ত। কলকাতায় বাসস্থান। নিয়মিত সাহিত্য চর্চার মধ্যে সময় কাটে। কবিতা ও ছোট গল্প বিভিন্ন পত্রিকায় ,দেশে ও বিদেশে, পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।নিয়মিত ফে.বু. এর বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে লেখার জন্য যুক্ত। সাতটি কাব্যগ্ৰন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
বিনীত, রবীন প্রামাণিক।
লেখকের সৃষ্টি

রাত্রি গভীর হলে ফিরে এসো || Robbin Pramanick
রাত্রি গভীর হলে সদর দরজায় কড়া নাড়েকে যেন, দরজার ওপারে

ভিতু ডরপুক কোথাকার || Robbin Pramanick
ভোর রাতে ঘুম ভেঙ্গে ব্যালকনিতে দাঁড়াতেইকয়েকটি নক্ষত্র আকাশ থেকে টুপ

খান্ডব দাহন || Robbin Pramanick
দহনে দাহনে জ্বলে আগুন অন্তর-বনভূমিউলুখাগড়ার প্রাণ যায় – চির দিন

নিজেকে কোথায় রাখি হঠাৎ একদিন || Robbin Pramanick
এই ঋতুটা বড়ই দোলাচালে চলে –এক ঝাঁক বাদামী পাতা প্রহর

তখন মা আমাকে সব দিয়ে যায়, এখনও || Robbin Pramanick
আমার মাকে আমি কখনো রঙিন শাড়ি পরতে দেখিনিকখনো গয়না পরতে

রোজ ছোট হয়ে যাচ্ছে বয়সে || Robbin Pramanick
রোজ সকলে একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, বয়সেশৈশবে দেয়ালার মত

পরিত্যক্ত তটভূমি || Robbin Pramanick
নীল আকাশের নিচে এলোমেলো সাদা মেঘভেসে যায় সরোবরে বুকের মৃদুল

ভালবাসি বলে কেন কিছু হয় || Robbin Pramanick
ভালবাসি বলে কেন কিছু মনে হয় !সে কি এক হরমোনের

বড়দিনের কেকের গন্ধে সেই মানুষটা || Robbin Pramanick
রাত্রি নামলে হিম যুগ বয়ে আনেসাদা বরফের চূর্ণ চূর্ণ গুড়োপ্রাগৈতিহাসিক

উঠছে জেগে শৃঙ্গ || Robbin Pramanick
বুকের মধ্যে আকাশ এলেহাতের মুঠো আলো অনন্তআউল বাউল বসুন্ধরাভাসিয়ে দিল

উলঙ্গ নদী || Robbin Pramanick
নদীটাও আজ খুলেছে বসন মুক্ত বিহঙ্গ আকাশসকল সাজে মুক্তির সাধে

এখনও || Robbin Pramanick
এখনও ভাসেনি চাঁদ কালিন্দির জলেএখনও ডাকেনি পাখি পলাশের ডালেঘাসের শিশির

তুই আমার মরণ সময় জোছনা হবি || Robbin Pramanick
মরণ যেন করুন সুখের মহোৎসবমরণ মানে ফিরে আসার নূতন রবমরণ

ফেরার পরোয়ানা || Robbin Pramanick
এখানে শান্ত নীরবতা – ডুবে আছি মেঘলা দিনের মতনিজের মধ্যে

কুমারী নদীর চৈত্রের দুপুর || Robbin Pramanick
তখন তুমি কুমারী নদীর চৈত্রের দুপুর –এসেছিলে একদিন ,যখন তুমি

তুমি যখন প্রথম গেলে ছুঁয়ে || Robbin Pramanick
তুমি যখন প্রথম দিলে ধরাবনে বনে উঠল বেজে জয়ের শঙ্খ

ফাগুন বাতাস || Robbin Pramanick
ফুল ফোটেজ্যোৎস্না ওঠেবধূর গোপন ঘরে,একলা বধূ , খিল দিয়েছে দোরে

তোমাকে কী লিখব’ ঠাকুর || Robbin Pramanick
তোমাকে কী লিখব’ ঠাকুর !একদিন বুনেছিলে অন্তরে শান্তির বীজ –ভেঙ্গে

স্মৃতিরা নির্জন দ্বীপের মত || Robbin Pramanick
স্মৃতিরা কিছু ছোট ছোট নির্জন দ্বীপ যেনমাঝে মাঝে ফিরে আসে

তুমি যখন প্রথম গেলে ছুঁয়ে || Robbin Pramanick
তুমি যখন প্রথম দিলে ধরাবনে বনে উঠল বেজে জয়ের শঙ্খ

এসো বাউলের সাথে নাচি || Robbin Pramanick
এখন বসন্ত কাল –গাছে গাছে সেজেছে রঙের আগুনফসলের মাঠে প্রখর

ঈশ্বরী খুব দুশ্চিন্তায় আছেন || Robbin Pramanick
পাথরের ফাটলে জন্ম নিয়েছে কাঁটাঝোপ গুল্মলতাকোথা থেকে এসে উঁকি দিচ্ছে

মিনসেটা কিচ্ছু বোঝে না || Robbin Pramanick
বসুন্ধরা চেয়ে আছে জানালায়নাকে ভেসে আসছে কেঁয়াফুলের গন্ধকে পাঠায় এমন

হাস্নুহানার গন্ধে মাতাল || Robbin Pramanick
তখন বুকের কাছে অজস্র ঢেউ -এচারিদিকে উজ্জ্বল আলোর রেখা –হাস্নুহানার

তোমার জন্য বাঁচি || Robbin Pramanick
বুকের অলিন্দে আনন্দে সঙ্গীতবাজে ,তোমার শরীর বেয়ে ঝরেশিশির ফোঁটার আস্ফালন

এসো মা প্রাণে || Robbin Pramanick
আজ নীল আকাশ শুভ্র মেঘ খন্ডের স্বপ্ন আঁকা নয়ন,কোথায় যায়

যুদ্ধটা কেমন হওয়ার ছিল || Robbin Pramanick
বুকে শুধু যুদ্ধ আর যুদ্ধের দামামাযুদ্ধ যুদ্ধ খেলা কালো ছায়া

সাময়িক যুদ্ধ বিরতি চিরস্থায়ী হোক || Robbin Pramanick
সাময়িক যুদ্ধ বিরতির শেষেলকলকে জিহ্বে সাপের মিছিলস্থায়ীভাবে দরজার দিক খিল

লোকটা যখন শৃঙ্গে || Robbin Pramanick
লোকটার সঙ্গে দেখা হয় পাহাড়ের একটি চূড়ায়একা একা বসে থাকে

নদীর মত নারী || Robbin Pramanick
নদীও আগুন জ্বেলে ঘণ অন্ধকারে নিজেকে জ্বালায় সূর্যের আলো মেখেনদীও

হৃদয় দাও নীল আকাশ || Robbin Pramanick
এসো অনন্ত স্মৃতি এসো দুঃখ মলিন ব্যথা,এসো সাগরে জলে মাটিতে

যখন সাঁকোর নিচেয় জল ছুঁয়ে যায় || Robbin Pramanick
সাঁকোর নিচেয় জল ছুঁয়ে যায়শ্রাবণ কিশোরী ঘনপুরনো সেই সব দিনের

আমাদের গোধূলির বাড়ি || Robbin Pramanick
পশ্চিম আকাশে ফুটে উঠেছে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র – পুবের আকাশে

তুমি যদি বাঁশরি হতে || Robbin Pramanick
ডাকাতিয়া বাঁশি কে বাজায় –তোমার অন্তর কাঁদেকড়া নাড়ে শ্যাম ,তুমি






