পায়ের তলায় সরষে (মধ্য ভারত ভ্রমণ – পর্ব : ২)
ছত্রিশগড়…. জঙ্গল পাহাড় ঝর্ণাআর বিভিন্ন জনজাতি অধ্যুষিত এক নৈসর্গিক ভূমি। এখানকার ভূপ্রকৃতি নৈসর্গিক সৌন্দর্যের আকর।
ইন্দ্রাবতী নদীর চিত্রধারা জলপ্রপাত…. পাহাড়ি জঙ্গলের মাঝ থেকে আছড়ে পড়েছে জলপ্রপাত টি সমতলে! চার পাশে সবুজের বাহার… মাঝদিয়ে বয়ে চলেছি গৈরিক ঝরনা।বর্ষার কাদাগোলা জলে যেন সে সন্ন্যাসিনী!
নবম শতাব্দীর এক প্রাচীন বিষ্ণুমন্দির দেখলাম! মন্দির শীর্ষের দুপাশে দুটি কালো পাথরের গণেশ মূর্তি! প্রাচীন মূর্তিটির গায়ের অলংকরণ দেখলে মন ভরে যায়!মন্দিরের গর্ভগৃহে রয়েছে কাল পাথরের বিষ্ণু মূর্তি! এই মন্দিরের এক বিশেষ রীতি হল মন্দির প্রদক্ষিণ নিষেধ! মন্দিরে পুজো হয়!
তামড়ঘুমর জলপ্রপাত ও ইকো পার্ক
ইন্দ্রাবতী নদীর ওপর এই জলপ্রপাত অপূর্ব সুন্দর!গাছপালাঘেরা জঙ্গলের মধ্য দিয়েএগিয়ে এসে ইন্দ্রাবতী নদী ঝাঁপিয়ে পড়েছে উপত্যকার প্রায় হাজার ফুট নিচে!দুপাশের পাহাড় সবুজ গাছের শ্যামলিমায় ঢাকা। বেগুনি ভোরগরবি(মর্নিং গ্লোরি) ফুলের লতা তে আচ্ছাদিত পাহাড় অপূর্ব সুন্দর!
জলপ্রপাতের কলধ্বনি যেন গুঞ্জন তুলেছে। এক অপূর্ব দৃশ্য!
মেন্দ্রী ঘুমর জলপ্রপাত
এ যেন সুন্দরীতন্বী জলপ্রপাত…. খাড়া সবুজ জঙ্গলের মাঝখান দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে উপত্যকার বুকে!
এখানেই বেশ কিছু জনজাতি মহিলার সঙ্গে দেখা হলো। ভীষণ হাসিখুশি আন্তরিক ব্যবহার!
খুব ভালো লাগলো এই মধ্যভারত সফর!মনের মনিকোঠায় আতর মাখানো সুগন্ধি স্মৃতি হিসেবে জমা রাখলাম একে।
