যে শহরে থাকি || Pabittra Mohonta Jibon
আমি যে শহরে থাকি বিদ্যুৎতের আলোয় আলোকিন্ত রাত! শহরে একাকীত্ব…
আমি যে শহরে থাকি বিদ্যুৎতের আলোয় আলোকিন্ত রাত! শহরে একাকীত্ব…
আঙিনায় এক রক্ত রাঙানো পলাশওঠে দুলে লাগলে স্নিগ্ধ বাতাসতখন ছিল…
ছুটির ঘন্টা পড়ে গেলেই মন হয় উড়ু উড়ুযেন বনের পাখির…
পাথরনিজেকেচিরস্থায়ী ভেবেছিল।শেওলাকোনো প্রতিবাদ করেনি।প্রাসাদগুলোরাতেনিজেদেরই শব্দেচমকে ওঠে। ইট জানে—উচ্চতাস্থাপত্যের,স্থায়িত্বের নয়।যারাআকাশ মাপে,তারা…
টেবিলভর্তি কাগজ।পাশেইএকটি কলম।আমি লিখতে চেয়েছিলাম— “একজন মানুষ চাই।” শব্দ দুটিকাগজে…
টেবিলে রাখাহুইস্কি। পাশেই সাজানোগ্লেনকেয়ার্ন গ্লাস। বিবেক শুয়ে আছে—তন্দ্রাচ্ছন্ন। প্রবেশদ্বারে ঝুলছে“Do…
ছুটি কাটাতে গেছি নির্জন এক পাহাড়ী গ্রামে,হিমালয়ের বুকে স্নিগ্ধ নিসর্গ…
টু-লেট ঝোলানো তোমার দরজায়মাধবীলতা শুকোচ্ছে টবে প্রতিদিনআমি গিয়ে জল দিব…
বেঁচে থাকাটাই বোধহয় বাঁচা নয়,আরো কিছু থাকে উহ্য।বাঁচাটাকে যদি কাটাছেঁড়া…
রাত্রি গভীর হলে সদর দরজায় কড়া নাড়েকে যেন, দরজার ওপারে…
গভীর দিঘির জলে,ও মেয়ে তুই কি জল -ছবি ?তোর নেই…
ভোর রাতে ঘুম ভেঙ্গে ব্যালকনিতে দাঁড়াতেইকয়েকটি নক্ষত্র আকাশ থেকে টুপ…
আজ কাল আমার রাত্রে ভাল ঘুম হয় না –হেমন্তের ছেড়া…
দহনে দাহনে জ্বলে আগুন অন্তর-বনভূমিউলুখাগড়ার প্রাণ যায় – চির দিন…
এই ঋতুটা বড়ই দোলাচালে চলে –এক ঝাঁক বাদামী পাতা প্রহর…
আমার মাকে আমি কখনো রঙিন শাড়ি পরতে দেখিনিকখনো গয়না পরতে…
রোজ সকলে একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, বয়সেশৈশবে দেয়ালার মত…
নীল আকাশের নিচে এলোমেলো সাদা মেঘভেসে যায় সরোবরে বুকের মৃদুল…
ভালবাসি বলে কেন কিছু মনে হয় !সে কি এক হরমোনের…
রাত্রি নামলে হিম যুগ বয়ে আনেসাদা বরফের চূর্ণ চূর্ণ গুড়োপ্রাগৈতিহাসিক…
তুমি আকাশের দিকে তাকালে তোমাকে আকাশ বলেই মনে হয়মেঘের দিকে…
বুকের মধ্যে আকাশ এলেহাতের মুঠো আলো অনন্তআউল বাউল বসুন্ধরাভাসিয়ে দিল…
নদীটাও আজ খুলেছে বসন মুক্ত বিহঙ্গ আকাশসকল সাজে মুক্তির সাধে…
এখনও ভাসেনি চাঁদ কালিন্দির জলেএখনও ডাকেনি পাখি পলাশের ডালেঘাসের শিশির…
মরণ যেন করুন সুখের মহোৎসবমরণ মানে ফিরে আসার নূতন রবমরণ…
এখানে শান্ত নীরবতা – ডুবে আছি মেঘলা দিনের মতনিজের মধ্যে…
তখন তুমি কুমারী নদীর চৈত্রের দুপুর –এসেছিলে একদিন ,যখন তুমি…
তুমি যখন প্রথম দিলে ধরাবনে বনে উঠল বেজে জয়ের শঙ্খ…
ফুল ফোটেজ্যোৎস্না ওঠেবধূর গোপন ঘরে,একলা বধূ , খিল দিয়েছে দোরে…
তোমাকে কী লিখব’ ঠাকুর !একদিন বুনেছিলে অন্তরে শান্তির বীজ –ভেঙ্গে…
স্মৃতিরা কিছু ছোট ছোট নির্জন দ্বীপ যেনমাঝে মাঝে ফিরে আসে…
নীল জলে এতো মায়া !ও মেয়ে তোর কাজল টানা বিস্তীর্ণ…