আকাশ, আমি তোমায় ছুঁতে চেয়েছিলাম
চেয়েছিলাম তোমার উষ্ণতা পেতে।
তোমার উষ্ণতার আবেশে আমি ভাসতে চেয়েছিলাম, ডুবুরির মত ভালোবাসার উত্তীয় গায়ে।
উন্মত্ত যৌবনে মাতোয়ারা তুমি
সুপ্ত অভিমান ভুলে,
মনের দক্ষিণ বারান্দা খুলে দিয়েছিলে।
গোধূলির মায়া রোদে ধীরে ধীরে
পলাশ সন্ধ্যা নেমে এলো সেদিন–
দুর্বার প্রেমের টানে লাজুক আমি,
নক্ষত্র খচিত ঘন নীল চুমকি দেওয়া শাড়িটা পড়েছিলাম।
গলায় ছিল সবুজের মালা,
হাতে কানে ছিল রক্তলাল প্রবাল।
তুমি বলেছিলে ঘোমটা দেওয়া মুখে আমায় নাকি অপরূপা লাগছিল,
ঠিক অষ্টাদশী চাঁদের প্রেম চুঁয়ানো সলাজ কন্যার মত।
তোমার উষ্ণ ঠোঁটের আলতো ছোঁয়ায়
আবেগে নিজেকে আড়াল করতে পারলামনা,
প্রেম সাগরে দিলাম নিজেকে ভাসিয়ে।
তুমিও অপেক্ষার আঙিনায় সাথ দিলে,
আমি চঞ্চলা হরিণীর মত ছুটে বেড়ালাম আসমুদ্র হিমাচল,
সবাইকে চিৎকার করে বলেছিলাম সেদিন–
ইউরেকা ইউরেকা–
পেয়ে গেছি আমি আমার ইপ্সিতকে একেবারে একান্ত আপন করে,
যেমনটি আমি চেয়েছিলাম।
