তোমার নামে ভিজে নাগরিক রাতের আঁধারে
শ্বাসরোধ করে চেপে বসেছে বুকে
হায়নার মত ;
সমস্ত রক্ত শুষে নিয়ে তুলতুলে নরম মাংস খুবলে খাচ্ছে
আয়েশ করে…
দেখছি, কিন্তু কিছুই করতে পারছিনা;
অসহায় আমি, বুকে মারে চাবুক,
পিছনে দাঁড়িয়ে সহস্র বন্দুক,
বিস্ফারিত নেত্রে দাঁড়িয়ে দেখছি নিশ্চুপ !
শৃঙ্খলে বাঁধা হাত পা, সেলোটেপে মুখ সাঁটা।
নগর কীর্তনের অপদার্থ নাগরিক আমি …
নেই কিছু বলবার ,
কি বিচিত্র ভুবন আমার !
আঁধার কাটিয়ে ভোর কেন হয়না ?
মুহুর্মুহু ভগ্ন স্বপ্নের মালায় দ্যুতি কেন ছড়ায় না !
কাগজের নৌকোয় ভাসিয়ে দিতে হয় ইচ্ছেগুলো পুরে ;
পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় চড়ে সাত সমুদ্র পেরিয়ে
রাজপুত্র, আজ আর আসেনা দুঃখী কন্যার ঘরে ।
দৈত্য রাজ নিয়েছে দখলদারি ,
দামামা বাজিয়ে হুঙ্কার ছাড়ে সভ্যতার অশ্লীল বাতাসে।
জীবনের স্বরলিপি এঁকে দেয় স্বযত্নে
এক পাথুরে অন্ধকারের উপাখ্যান, হৃদয়ের উপবনে;
রাতের তারাদের মত দিনের আলোর গভীরে।
