প্রাণের ঠাকুর রবি ঠাকুর বুকের মাঝে তাকুড় নাকুড়,
কাব্য পাঠে নাচের তালে ভুবন জুড়ে তোমারই সুর।
বারে বারে নতুন করে চিনি তাঁকে নিত্যদিনে,
তাঁর কবিতা তাঁরই গানে রইবো মোরা চির ঋণে।
সীমার মাঝে অসীম কবি কান্না হাসির প্রতিক্ষণে,
সীমার মাঝে অসীম প্রেমিক
উদার বাণী হৃদয় মনে।
আশ-মানা ওই আশমানেতে জলে স্থলে ঝর্ণা ধারায়,
রাত্রী জয়ের যাত্রী তিনি রয়ে যাবেন লেখায় রেখায়।
ধানের শীষে পাখির ডাকে সবকিছুতেই আছেন তিনি,
পাহাড় সাগর সবুজ নীলে সৃষ্টি সুখে তাঁকেই চিনে।
উচ্ছ্বাসে উল্লাসে আছেন আছেন তিনি দুঃখ ব্যাথায়,
ঋতুরঙ্গের ঋতুশালায় ফুলের শোভায় কচি পাতায়।
সেদিন ছিল বাইশে শ্রাবণ অস্তাচলে গেলেন রবি,
সূর্য জয়ের সেনাপতি পূজ্য মোদের বিশ্বকবি।
ভানুসিংহ ভণিতা ছেড়ে রণক্লান্ত অবশেষে,
রবি হারার বেদন ব্যথা অশ্রুধারায় বাইশে মেশে।
ঘরে বাইরে অন্তঃপুরে মর্মে মনে জীবন খাতায়,
পরম বন্ধু রবি ঠাকুর আছো প্রাণে মুখের ভাষায়।
কখনো তিনি বনস্পতি কখনো বা কৃষ্ণচূড়া,
তাঁর অজস্র শব্দের রঙে চিনতে শিখি বসুন্ধরা।
আকাশে বাতাসে মাটিতে মনে অসীম শূন্যে স্ফটিক ফেনায়,
অমৃত লোকে যাত্রা শুরু বাইশে শ্রাবণ বিদায় বেলায়।
নীরব হল কবির কন্ঠ রবেন তিনি নীরবে স্মরণে,
অন্তরের উপাচারে আমার প্রণাম রাখি চরণে।
