দুঃখগুলো ইতস্তত
বৃষ্টি ভেজা চড়ুই পাখি ,
মনের ঘরের রেলিং গলে’
ঢুকলো , ঢেকে কোথায় রাখি ?
সুখ অতিথি ঘুমিয়ে কাতর
জাগলে এবং রাগলে বাঁদর !
কুস্তি বুঝি করবে দুজন ?
কিন্তু একি তেঁতুল সুজন !
হাই তুলে সুখ বললো — কখন ?
তোমার জন্য দুখীর মতন
অপেক্ষাতে ছিলাম শোকে
ছাড়াও , আমার বিষাদ জোঁকে ।
দুঃখ অবাক আদর পেয়ে
করুণ চোখে রইলো চেয়ে ।
হাত বাড়িয়ে টানলো সুখ-ই
জড়িয়ে দুখের পূর্ণ বুক-ই ।
— তুমি আছো , তাইতো আছি
না হলে যে গিলতো মাছ-ই ।
জানতো লোকে সুখের কী স্বাদ !
দুঃখ ছাড়া সুখ পরমাদ !
তুমি আমার জন্ম মিতে
মৃত্যু পারে ছলকে নিতে ?
সেদিন থেকে আমার সাথে
সুখ – দুঃখ একই পাতে
করছে ভোজন , শুচ্ছে খাটে
আনন্দ ঘাট বোধের হাটে ।
