চশমা
কেউ কি দেখেছ আমার চশমাটা। কোথায় যে রেখেছি মনেই করতে পারছি না। এদিকে আমার অফিস বেরোবার সময় হয়ে গেল। চশমাটা না পেলে কাজ করবো কিভাবে? ধুর আর ভালো লাগে না। কি যে হয় এই চশমাটার। রেখেছিলাম এক জায়গায় এখন আর পাচ্ছি না।
কথাগুলো একটানা বলে একটু থামলেন প্রদীপবাবু। সরকারি অফিসের কর্মচারী। ওনার এই উষ্মা দেখে ওনার স্ত্রী ও ছেলে চশমা খুঁজতে নেমে গেল।
তুমি চান করতে যাও। আমরা খুঁজে দেখছি মায় পোয়ে।
সকালে বাজারে গেছিলাম চশমাটা পড়েই। বাড়ি ফিরবার পর থেকে আর পাচ্ছিনা।
তাহলে বাজারে ফেলে আসোনি তো?
আরে না! ঘরে এসে এখানেই তো রাখলাম চশমাটা।
এখন এই চশমাটা না পেলে আমি চলাফেরাই করতে পারবো না। অফিসে যাবোই বা কিভাবে?
আরে বাবা দেখছি তো আমরা। এই বাবা একটু খুঁজে দেখ না চশমাটা পাস কিনা। যাও চান করতে যাও। ঠিক পাওয়া যাবে।
অবশেষে প্রদীপবাবু গেলেন চান করতে। হঠাৎ চিৎকার করে উঠলেন প্রদীপবাবু বাথরুম থেকে। সেই আওয়াজ শুনে ওনার স্ত্রী দৌড়ে এসে বললেন কি হলো?
পেয়েছি, পেয়েছি চশমা পেয়েছি।
কোথায় ছিল?
আরে মাথার উপরে তুলে রেখেছিলাম তো। ভুলেই গেছিলাম ওখানে রেখেছি। তোমরাও কেউ দেখনি।
সত্যি কি যে করো না তুমি …………।
