চৌদ্দই আগস্ট স্বাধীনতা
দিবসের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে,
বিরানব্বই বছরের এক বৃদ্ধ
মধ্যরাতে গর্জন করে চেঁচিয়ে।
“এর নাম স্বাধীনতা, এর জন্যই
কতবার গেছি জেলে !
ক্ষমতা দখলের জন্য শুধুই,
রক্তের হোলি খেলে।
এর জন্যই কী ক্ষুদিরাম
ফাঁসির মঞ্চে উঠেছিল ?
ভারতমাতার কত বীর সন্তান
হাসি মুখে প্রান দিল।
চারিদিকে চলছে শুধুই হিংসা,
ধর্মের নামে হানাহানি আর ধর্ষণ,
অভাবে মরছে মানুষ, শিশুহত্যা-
নারী পাচারের চলছে বর্ষণ।
এরপরও কী আমরা স্বাধীন,
গর্ব করে কী বলতে পারি ?
ধৈর্যের বাঁধ ভাঙ্গো, গর্জে ওঠো
ভারতের সব নরনারী।
যে স্বাধীনতার সুখ চোখে এঁকে
দিয়েছিলেন মোদের প্রিয় নেতাজি,
অহিংসার বাণী দিয়ে যে স্বপ্নের দেশের
স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন গান্ধীজি।
ঘরের মধ্যে বদ্ধ না থেকে,
তার জন্য বেরিয়ে এসো রাস্তায়,
এক হয়ে রুখে দাঁড়াও, গড়ে তোলো
দুর্ভেদ্য প্রাচীর নিজেদের রক্ষায়।”
বৃদ্ধের গর্জনের বাণী শুনে,
কাঁটা দিয়ে উঠেছে সকলের গায়ে,
আবালবৃদ্ধবণিতা বিবেকের বাণী শুনে
নামছে রাস্তায় পায়ে পায়ে।
পুবের আকাশ হচ্ছে লাল,
পাখিদের কলতানে প্রকৃতির ভাঙছে ঘুম,
নতুন ভোরে, নতুন আশার
আলোয় স্নাত হয়ে, আসছে এক মাসুম।
হাতে জাতীয় পতাকা, বুকে বল,
পিছনে ধ্বনিত হচ্ছে বন্দেমাতরম,
ভবিষ্য সর্বাধিনায়ক, মোদের ভরসা,
পারবে কী রাখতে ভারতমাতার সম্ভ্রম?
