ঠিক তখন বিকেল পাঁচটা,
শরতের পড়ন্ত বিকেলে কনে দেখা আলোয়
নদীর পশ্চিম পারে বসে মুখ নিচু করে,
এ গাঁয়ের ই কন্যা অহল্যা,
কাঁদে ডুকরে পরনের পোশাক ভিজিয়ে।
দূরের মাঠে ছেলেরা মনের আনন্দে হৈ হৈ খেলে,
পাশ দিয়ে শ্রান্ত পথিক আপন মনে চলে।
শেষ পড়ন্ত বেলায়
জল ভরতে আসা স্বামী সোহাগিনী পল্লীবধূ,
কলসি কাঁখে থমকে দাঁড়ায়।
সস্নেহে আপন হাতটি তার শিরে বুলায়ে
প্রশ্নের মায়াজালে জানতে পারে…..
গাঁয়ের শান্তশিষ্ট ফটিক, পরিযায়ী শ্রমিক ছেলেটি,
আজকাল কাজ করে বহু দূরের শহরে,
বিয়ে করার প্রলোভনে সহবাসে নিয়েছে সব কেড়ে।
গর্ভবতী মেয়ে ছুটে এসে দেখে
দুষ্ট পাখি খাঁচার শিকল কেটে পালিয়েছে।
স্বপ্নের ঘোরে অন্ধ বিশ্বাসে
হলনা স্বপ্নের শেষ সোপান ছোঁয়া,
হলনা মালা বদলে কনে সাজা।
আজ সে হয়েছে কলঙ্কিনী কুলটা কন্যা।
