শর শয্যায় সজ্জিত ভীষ্ম
সঞ্জয়ের ধারাভাষ্য,
ধৃতরাষ্ট্র নিশ্চুপ, কিন্তু অশ্রুসজল নয়ন
একের পর এক মহারথীর অবসান।
শত পুত্রের জনক, চোখ বাঁধা গান্ধারী
নয়ন জলে নিমজ্জিত,
বিদূরের নিস্ক্রমণ, সভাস্থল জনহীন
শকুনির দুরন্ত চাল।
পান্ডব দহণ সময়ের অপেক্ষমাণ
হস্তিনাপুর নিমজ্জমান শোকে,
দ্রোণাচার্য, কৃপাসিন্ধু, কর্ণ
ভূপতিত মহাবীরগণ।
চক্রব্যুহে একাকি অভিমণ্যু
সাত যোদ্ধার একত্র আস্ফালণ,
কুরুক্ষেত্র রক্তাক্ত
দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ,কৃষ্ণের অভয়বাণী,
ক্ষেত্র প্রস্তুত, আঘাত হানতে উদ্যত দুই পক্ষ
পার্থ সারথী কৃষ্ণের বাণী
শ্রীমদভাগ্বত গীতার শ্লোকে।
যুদ্ধশেষ পান্ডব মহানিষ্ক্রমণের পথে
তাহলে কেন এই আগ্রাসন
আর কেনই বা মহানিস্ক্রমণ??
