সে বলল আমায় —
“কেনো আমাকে আলাদা মনে হয় তোর?”
আমি চুপ — ঠোঁটে জমে ছিলো এক সমুদ্রের শোর।
কি বলবো, কেমন করে বোঝাই,
তুই যে আমার নীরবতার মধ্যেও বাজা একতারা, নির্ভুল, গভীর, হঠাৎ রোদের মতো ছোঁয়া।
তোর চোখ—
জলরঙে আঁকা স্বপ্নের পাখা,
একবার তাকালেই সময়টা হারিয়ে যায়
নদীর যেন নদীর জলে ভাটা।
তুই হাসলে,
জগতের সব কান্না থেমে দাঁড়ায়,
তুই হাসিস, আমি নিঃশ্বাস নিতে ভুলে যাই।
তোর ব্যক্তিত্ব—
তাকে তুলনা করবো কী দিয়ে?
সিংহের মত দৃঢ়, শিশিরের মত কোমল,
তুই চলিস, আর আমার মন পিছু পিছু পায়ে হেঁটে প্রেম শেখে।
তুই ফাঁসি—
সে রকম ফাঁসি যা কেউ চায় মরতে,
তোর কথায় গলা জড়ায়, আবার তুইই ছাড়াস হাসতে হাসতে।
তুই রোদ— একপশলা বৃষ্টি,
তুই ধরা পড়ে আবার ফসকে যায়,
তুইই যেন হৃদয়ের নামহীন সৃষ্টি।
তুই আলাদা,
কারণ তুইই আমার কবিতা,
তুইই আমার গান— সমস্ত বাধা পেরিয়ে আমরা কি গাইতে পারব
আমাদের সুন্দর গান ?
