আমার একটাই শেষহীন কবিতার প্রচ্ছদে চুপছাপ পা ফেলি আমি ।
দেখি , শিশির সকালে শিশু শিউলি শুয়ে মাটির মাচানে ।
ডেকে বলি — সন্ধ্যা – সকালের সংবিধান ভুলে
যেতে হবে কবিতার দুপুর মাথুরে ।
তারপর কৈশোরের মাঞ্জা টানে
মেঘের ময়দানে দেখা পারিজাত যৌবনের সাথে ।
টগবগে যুবক রোদ্দুর , কাশ ঢেউয়ে ভেসে ভেসে
নীলপদ্ম জলে শরৎগন্ধা শিউলির প্রেমে টলোমল ।
তারও পর ,
প্রতি অঙ্গে আসঙ্গ সহবাসের ক্লান্তি ও বিচ্ছেদের বাঁধা গতের শেষে
বহমান রোদ্দুর , পঙক্তি বদলে আমরণ ছায়ার প্রেমিক ।
তবুও , কৃষ্ণবর্ণ রাত্রির বিধুর বিরহ টানে
হিরণ্য গোধূলি-সন্ধ্যায় , কল্পতরু শিউলির সিঁড়ি আঁকে
অবিরাম শতাব্দীর আগমনী ভোরের পদাবলী রঙ ।
ভাবি , কবিতার রূপক আশ্রমে সাধারণ ঝরা শিউলিও
কী আশ্চর্য মহিমায় মহীয়সী রাধার উপমা হতে পারে !
