একটা অসমাপ্ত সম্পর্কের সেতু-ই বানিয়ে যাচ্ছি , পাঞ্চালি
পৌরাণিক পঞ্চপান্ডবের মতো চিরকালীন ।
যদিও তুমি দ্রুপদ কন্যা নও
আমিও পান্ডব বংশীয় নই ।
তবুও যেন মনে হয় হাজারো বছর কাটিয়েও
এক নির্দিষ্ট সংজ্ঞার নিসপিস খরা কাটছে না ।
অনিশ্চিত বনপর্বের পথে চলতে চলতে
আজন্ম গৃহপালিত ভয় কেটে যায় ।
নির্ধারিত অজ্ঞাতবাসের পৃথক নির্জনতায়
তুমি মাঝে মাঝে বন্য নাব্যতার নদী হয়ে ওঠো ,
আমিও স্বাধীন সাঁতরে চলি পদ্মগন্ধা স্রোতে ।
কীভাবে এপিক দৃশ্যের সাথে অবিকল
মিলেমিশে এক হয়ে গেছি পাঞ্চালি !
ভাবো ভাবো , ভাবলেই ত্রিভূবন তোমার নাগালে ।
ভেসে থাক সেতু শ্রম আনন্দ ইথারে ,
শেষের গন্তব্য শেষ হলে
প্রতিদিন শুরুর কল্পরোমে
অতল কূপের বিস্ময় হারাবো ।
