আগমনী || Banamali Nandi
রোদে র পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠীয় লাগছে রংবাতাসের চঞ্চলতা ছুটে যায়সুয্যের শিরা…
রোদে র পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠীয় লাগছে রংবাতাসের চঞ্চলতা ছুটে যায়সুয্যের শিরা…
বৃষ্টিমাস তবু বৃষ্টি নেইপ্রকৃতির ঠৌটেবীজধানের মাঠ ক্ষেত খামারভাগ্যের পাথরে মাথা…
লুপ্তপ্রায় কাদা জলেনিয়তি জলে ঘ্রাণআমার কাছে তুমি হলেঅন্যরকম প্রাণশ্যাওলা মাখা…
নিজের বাড়ির রাস্তা চিনি বলেইহয়তো বাড়ি ফিরে আসি… মোড়, মূর্তি,…
শামুকের খোলসের চেয়েও পুরুনষ্ট বীজের গুঞ্জনকামট-কান্না সয়েছি ফুসফুসীয় আচরণে এঁকেছি…
ধূপে, অর্ঘ্যে, নৈবেদ্য জাগ্রত হয়ধাতুবিগ্রহ থেকে বসন্তদূতের মতোছিটকে আসেঅঘোরী নোনা…
রুগ্ন আশ্রয়ের নীচেনিয়মিত বেড়ে ওঠেআঙ্গুলের নখ, বারান্দার ঝুল, শ্বেতকন্ঠের ভাল…
হাতের তালুর মধ্যে আছে ভিটের গন্ধছায়াদের অসুখঘিরে থাকা শ্যামলতার আকর্ষশোনায়…
শূন্য চক্রবূহ্যের অন্তরালেসোহাগী পলাশ পথ হারায়,ধূসর বিবর্ণতায়উপকূলের সঞ্চয়ে বিরহের প্রতিধ্বনি…
তিথি ফুরিয়ে আসার আগেইধ্রুবক দেহের জন্য তুলে আনি‘উপাস্যের দূর্বা’ শিশিরে,…
দীর্ঘ বাণিজ্যের পথ ধরে হেঁটে হেঁটেঅবশেষে পৌঁছেছি পোতাশ্রয়ের মাইটোকন্ড্রিয়ায় এই…
এসো শান্ত হয়ে বসিমিলি শালিকের পিপাসায়ক্লান্তির বাতাবরণেদুপুরটা কাটুক নিরালায়মুক্ত প্রানে…
ওরা ক্ষীন হয়ে ফিরে গেছেআলোর শহরেছুঁয়ে গেছে সচলতাহৃদয়ের গভীরেঅর্ধেক পোড়া…
স্নানঘরেআমি একলা যাই না,আমার মস্তিষ্ক ও হৃদয় সাথে যায় জলে…
ভিনগ্রহী পুরুষের ঘ্রাণহীন রাতেজরায়ুগাত্রে সর্বনাশ ভিন্ন শতাব্দীতে সন্ধ্যার হলুদ শৈবাল…
এক ঋতুকাল জুড়ে জলাতঙ্কের আঁতুরঘরচিহ্নদাহ করা কাঠুরিয়াদের মহাকাশেযন্ত্রণাময় উত্তরযুগ… পরজীবীদের…
তোমার তালুর মাঝে আছেকোনো নষ্ট এক চাঁদ? যে বুকে ফেনা…
আঁচলের সীমানায় একমুঠো ধানের গন্ধপাটক্ষেতের ছায়ার মতো গহীননিবিড় যাপনে কায়া।চিহ্নহীন…
প্রহরগুলো নিস্তব্ধতায় গ্রাসেগভীর অক্ষরের সমষ্টি চরণ ছুঁয়েছেস্বভাবে অস্থিরতাক্লান্তিশয্যায় মেরুদন্ড ঐতিহাসিকের…
ফিরে যাই জন্মের কাছে; সেই যেমেঘজ-পথ বৃষ্টি হয়ে ভিজিয়েছিলসেই অনন্ত…
সন্তানহারা মায়ের চোখের জলেবিদ্রোহী হয়েছিল বিপ্লবীরা,আমি দেখিনিঅসংখ্য অজ্ঞাতের প্রানের বিনিময়েস্বাধীনতা…
কিছুটা স্বপ্নদর্শী হয়েনোনা দেওয়ালের গা বেয়ে ঝরে পড়াআলকাতরার গন্ধ ছড়ায়বেমালুম…
জরায়ুর গভীরেবেড়ে ওঠে নিঃসঙ্গ উচ্চারণসংক্রান্তির ভোরেহৃদয় কাঁপে, জানে পরমায়ু বড়…
ছায়া সুনিবিড় প্রাকৃতিক শোভায় নামছে স্কুল মাঠেসুর্যের ধুলায়া হেঁটে যায়…
ভোর হয় চিঠি এলেবাজে আলো ও কাঁসর ঘন্টাপ্রদীপ জ্বলে ওঠেএকটি…
অনেক টাই মরে গেছেপানপাতার মুখজল উড়িয়ে উড়া রাজঁহাস স্তনআকাশ উড়নাতে…
অশ্রুর পোশাক হিমসাদা হলেইতাঁর স্বাদ এক হবেতার কোনো মানে নেইকত…
থাকে না কিছু ইহারায় স্রোতেনা হয়সময়ের প্রসিদ্ধ নিয়মে যাহা বেদনারযাহা…
পাশের বাড়ির ছাতে প্রতিদিন ওদের দেখি,বকবকম বকবকম করতে করতে খুঁটে…
রাস্তা বিয়ের চার চারটা বছর পেরিয়ে গেলেও সন্তানের মুখ দেখা…
খেলা উত্তেজনায় কাঁপছে সারা শরীর! ক্রমাগত বেড়ে চলেছে চ্যালেঞ্জের পর…
সমুন্নত মস্তক ছিল স্পর্ধিত উচ্চ তায়সত্যই ঈশ্বর তুমি উদার মহান,পরাধীনতার…