একটার পর একটা নিজস্ব এপিটাফের পাহাড় পেরিয়ে
আজও ফুটেই চলেছি সকালের শব্দ বাগানে ।
ফল শূন্য অক্ষর শ্রমের আশ্চর্য মুগ্ধতায়
উড়ে আসে মৌসিনরাম , মরে গিয়ে বেঁচে উঠি রোজ ।
প্রভূত জন্ম যজ্ঞের জ্বরে ভুগে ভুগে হয়েছি কঙ্কাল
জীবন্ত করোটির কপালে চাঁদের টিপ কাজল ছাড়িনি ।
বে-রং বেঁচে থাকার থলথলে থলির ভিতরে
এক বসন্তবৌরী রং এঁকে চলে
কারণহীন ভালো লাগার এঁটেল আলপনা ।
শস্যহারা খাঁ খাঁ মাঠে কুকলুকোনি খেলা করে
ছুঁই ছুঁই আলেয়ার আরব্য চিচিং… ।
নাড়ির উপরে নাড়ি দীর্ঘ হয়ে শ্বাসনদী ডেকে যায়
— এসো এসো তোমার জন্য স্বপ্নের সমুদ্র অপেক্ষায় আছে ।
জীবনের প্রতিটি অপূর্ণ পাওয়া ভুলে
সত্যিই স্বচ্ছল ডুবে যেতে পারি মোহনিয়া মোহনার মদে !
আঁধারের স্তন শুষে একদিন আলো খাবো বলে
কেবলই আটকে থাকি অনন্ত বাদুড়ের ঠ্যাঙে ।
