দেখি অধর মাজায়ে মুখে শাঁখটি বাজায়ে
কপালে সাজায়ে টিপ;
ভরা সাঁঝের বেলায় নিজ তুলসী তলায়
বধূরা জ্বালায় দীপ। প্রদত্ত
রবি কিরণ ছড়ায়ে মুক্তো চাদর জড়ায়ে
পৃথিবী ভরায়ে দেবে,
পুষ্প কেতকী কামিনী গন্ধে ভরায় যামিনী
সুন্দরী ভামিনী নেবে।
পীত শাড়িটি পরনে রৌপ্য নূপুর চরণে
গৈরিক বরণে যিনি,
ঘন্টা বাজিয়ে চলেছে মন্ত্র মুখেতে বলেছে
হৃদয় হরণে তিনি।
খোঁপা কুসুমে বেঁধেছে অন্ন রন্ধন রেঁধেছে
নাগরে সেঁধেছে খেতে,
পাটি পেতেছে ভাদরে ঠাণ্ডা মেঝেতে সাদরে
ডেকেছে আদরে যেতে।
পত্নী খুশিতে ভেসেছে অতি আনন্দে হেসেছে
দ্বিগুন বেসেছে ভালো,
প্রেম অন্তরে জেগেছে শেষে আশিস মেগেছে
সাড়া জেগেছে আলো।
যাবে দূরের দেশেতে বীর সৈনিক বেশেতে
রুক্ষ কেশেতে ভরা,
বধূ কথার বাঁধনে বেঁধে রাখার সাধনে
ফুঁপিয়ে কাঁদনে ত্বরা।
