তারপর বিষাদের জ্বর থেকে সেরে উঠি আমি
ফিরে আসে জুঁই- জ্যোৎস্নার টানে সমস্ত স্বাদু আনচান ,
ডুবে যাওয়া সপ্তডিঙ্গা মধুকরের মাস্তুল চুম্বনে
সংশয় শূন্য অর্ফিয়াস সোনার পাথরে মানবীয় ত্রুটিহীন মানুষ বানান ।
যদিও রূপকথার শেষ দৃশ্যের সুখে অনন্ত কালাতিপাত
বড়ো ক্লান্ত করে । ভরপুর শোক শূন্যের দুঃখে কবিতা
আসে না । যুধিষ্ঠিরকে বলি — ফিরিয়ো না জুয়োর আমন্ত্রণ ।
উত্থান পতন মাঝে শূর্পণখা শুধুই যুদ্ধ শুরুর ভনিতা ।
অতঃপর পদ্মাসন ছেড়ে শীর্ষাসনে চড়ে জীবনের মুন্ডপাত করি ।
কবন্ধের কঙ্কালে ভরে ওঠে টন টন কোয়ান্টাম কাল ।
কাটা মুন্ড মিছিলে শ’য়ে শ’য়ে ফাউস্টের মেফিস্টোয়
বদলে যাবার আগে , ধড়মড় ফুটে দেখি –সজনে সকাল ।
থাক বেঁচে মধ্যবিত্ত জাগরণ জোর , ক্ষণস্থায়ী মৃত্যুর মুখোমুখি
চিরস্থায়ী জন্মের জিনে অসম্পূর্ণ বেঁচে বেঁচে পূর্ণের সরগম শুঁকি ।
