তোমার দময়ন্তী দৃষ্টির আকরিক অনুবীক্ষণে
আমার মৌলিক প্রমত্ত প্রেমিক আমাকে তুলে রেখো ।
আমি বটের বহুত্ববাদে অভিন্ন ছায়ার মোহনা হয়ে আছি ।
এই তো ঝুরির বল্কল খুলে সাময়িক নিমগ্ন নগ্ন হয়েছি ।
হাড়েমাসে ফুটি ফুটি প্রেমের কৈশোর , বেড়ে বেড়ে
যুবক হৃৎপিণ্ড হূলে আমার মরমী মানসী মৌ তুমি
চিনচিনে মাতালিয়া থই ।
দ্যাখো দ্যাখো ,
কনকনে রোমকূপে কেমন শুধু তোমার নাম উচ্চারণেই
রোমাঞ্চে বর্ষা- বিহু বাসন্তী -সাঁতার হয়েছে !
যতই আসুক ছুটে শনশন সাংসারিক সংবিধান শর
আমি চনমনে নাড়ির নক্ষত্রে ক্ষণে ক্ষণে উর্বর মেঘবীজ হবো ।
তুমি ফাগুনে থমকে থেকে মাঝে মাঝে পিপাসার বৃষ্টিতে ভিজো ।
পরাধীন পৌরাণিক পুরে একমাত্র অনর্গল স্বেচ্ছাধীন কবিতা উঠোন ।
ভুলো না ,
আমার প্রেমের শ্রম ফোড়নের আঁচে আঁচে নাসবন্দী হলে
তোমার হ্লাদিনী হাওয়ার বয়স বেড়ে বিশুদ্ধ প্রেমিক হারাবে ।
