পূর্ব সিংভূম,ঝাড়খন্ড,
হালকা শীতে ছিলাম বিভূতিভূষণের বাড়ি,
আবেগে ডগমগ।
শয়নে স্বপনে নিদ্রায় জাগরণে কেবল বিভূতি।
ফুলডুংরি টিলায় আছি,
একজন স্থূলকায় মানুষ,বয়স ৫৫/৫৬
সান্ধ্যভ্রমণে বেরিয়েছেন।
আমার পাশ দিয়েই হেঁটে যাচ্ছিলেন।
কেমন চন্দনের গন্ধ ভেসে আসছিল,
সোজা জড়িয়ে ধরলাম,
আপনি আমার প্রিয় সাহিত্যিক,
আপনার জন্যই ঝাড়খন্ডে আসা।
হাসলেন মুচকি,
পাশ দিয়ে চারজন খাটিয়াতে একটা মৃতদেহ নিয়ে যাচ্ছে,
দমকা হাওয়ায় মুখের চাদর গেল সরে,
একি!
উনি যে বিভূতিভূষণ!
ভয় পেয়ে গেলাম,
উনি বললেন এই জঙ্গলে আমি সচক্ষে আমার মৃতদেহ দেখেছি,
বাহকদের কাঁধে,
ভয়ে জ্বর এসেছিল,
কবিরাজ বলেছিলেন কালাজ্বর,
মৃত্যুজ্বরে চলে গেলাম।
আজও আসি ফুলডুংরিতে,
আমার খুব পছন্দের জায়গা….
পতিদেব বললেন জানো,এই টিলাতেই উনি বিখ্যাত উপন্যাসগুলো লিখেছিলেন….
চমকে উঠলাম,
চেষ্টা করলাম বলতে,ঐ ঐ দেখো আমাদের প্রিয় সাহিত্যিককে,
হনহন করে চলে গেলেন উনি ।
দেখতে পারলেন না পতিদেব,
কিন্তু কি বলে গেলেন উনি,
যেতে যেতে….
