জীবন উপন্যাস থেকে সুন্দর মুহূর্ত গুলো
যখন একেএকে হারিয়ে যায় অখ্যাত সলিলে!
জীবন স্রোতধারায় খড় কুটোর মত
স্মৃতির পাতাকে প্রাণপণে আঁকড়ে ধরি
একটু বাঁচার জন্য, একটু শ্বাস নেবার জন্য।
বেদনা জাগানো মুহূর্তগুলো মাঝে মাঝে
ভীষণ বেয়াড়া হয়ে উঠে,
মেঘের ভেতর থেকে উঁকি দিয়ে
অগ্নিবাণ ছোড়ে নৈঃশব্দের স্থাবর জুড়ে-
কষ্টের চোরাস্রোত বয়ে যায়
ধূপছায়া আঁধারে মৃত নগরীর দেয়াল ছুঁয়ে।
রাত্রি নামে শুন্যতার বিবর্ণ সায়র ভেদ করে
বহুধা পৃথিবীর রূপকথা নিশ্চুপ ক্ষণিকের তরে,
প্রবাসী কোকিলের আনাগোনা বন্ধ হয়।
রঙিন ফাগুনের বুকচেরা আর্তনাদ
ভেসে যায় চৈতি বসন্তের ঝোড়ো হাওয়ায়।
এমনটা সবার জীবনেই হয়,
কিছু কম কিছু বেশি।
নিজের কথা না ভেবে তবুও বাঁচতে হয়
আর বাঁচাতে হয় আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নির্মল পৃথিবীর বুকে।
নেবার জন্য আসিনি শুধু, কিছু কর্তব্যও আছে,
এই সুন্দর পৃথিবী দিয়েছে অ-নেক কিছু,
নিয়েছে তারচেয়ে বেশি না কম সে হিসাব থাক;
ভুলে যাওয়া ভালো সেসব অতীত কাহিনী।
নবপ্রভাতের অরুণ আলোয় ঘটুক নবজাগরণ
প্রখর তপন তাপে পুড়ে যাক স্মৃতির বেদনার্ত পাতা,
নেমে আসুক সুর স্বরস্বতীর মূর্তিতে আনন্দধারা
ভরে উঠুক হৃদয়-প্রকৃতি পূরবীর রাগ মূর্ছনায়।
শান্ত হোক মালকোষের বিদায়ী সানাইয়ের সুর,
প্রেম বাগিচায় সৃষ্টি হোক যমুনার কলতানে নতুন কথামালা।
