শিশিরের শব্দের মতো নিঃশব্দ কোলাহল,
শেষ প্রহরের নীরবতার নিম্ন তাপমাত্রা–
ছুঁয়ে যায় পৃথিবীর উষর ভূমির বিষাদ প্রান্তর,
ভগ্নের অনুকূলে মানুষের শেষ যাত্রা ।
বিদীর্ণ হৃদয়ে বিভীষিকার অস্ফুট কথামালা…
নিরন্তর নিস্ফল বেদনা গুমরে ওঠে নীরবে,
নোনাধরা প্রতিলিপি পথভ্রান্ত হাঁপর টানে,
সপ্তম বেসুরো তান অন্তরে বাজে অগৌরবে !
স্তব্ধতার মাঝে অসুর শক্তির পদধ্বনি–
ফিরে আসে বার বার বিশ্বের ব্যাঘাত !
নিরস মাটি পলকে কান্না শুুষে নিরন্তর
জিঘাংসা প্রয়োজনে জীবিত মনুষ্য হাত !
অলক্ষ্যে বয়ে চলে আর্ত জলের সুনামি,
প্রলয়! নাকি শেষ প্রলয়ের ইঙ্গিত..?
দমনে আসছে দামিনী শঙ্খ নিনাদ বাজিয়ে,
আবাহনে বাতাসে বাজে আবহ সঙ্গীত ।
সাবধান তোরা, যত ঔদ্ধত্যের কলোহাত–
মর্তের নারী আজ যুগের কান্ডারী !
অসময়ে নারীর মর্তে অকাল বোধন
অসুর বধে লক্ষভূজা উমার ত্রিশূল ধারি !
সাম্যের গান সীমানা ছাড়িয়ে অনুরণন,
প্রকৃতির গীতে প্রতিপাদন হোক মানব প্রেম।
মানবহৃদয় মন্দ্রিত হোক মাভৈ: মন্ত্রে –
সভ্যতার শরীরে স্বাধীনতা আজ খাঁটি হেম l
