আমার আকৈশোর ছায়াপুঞ্জ ব্রহ্মাণ্ডের মায়াকুঞ্জে রেখে
সানন্দে এক্ষুনি চলে যেতে পারি জাতকের স্মৃতি দর্পণে ।
কী অনাবিল আনন্দে আমার কিশোর ছায়ার কুঁড়ি
আমার-ই বৃদ্ধ ছায়াবৃক্ষের বোঁটায় যুবক ছায়ার হাত ধরে
হুটোপুটি ফুটেই চলেছে ঝিরি জীবন সুগন্ধে !
— ভাবতেই আমার সীমিত অস্থির মনের মূল ছাড়িয়ে
এক অনন্ত মনের প্রশান্ত জন্ম হয় ।
দেখি , আমার ক্রুদ্ধ ছায়ার চোখে আমার-ই ক্ষমাশীল
ছায়ার দৃষ্টি ভাসে এক অভূতপূর্ব ধ্রুপদী ছায়া উৎসবে ।
আমার অজান্তে আমি একইসাথে মিলে মিশে আছি
বিষাদ -দুঃখ-সুখ -ছায়ার শরীরে ।
এতো এতো জানার বিস্ময় ছেড়ে
আমি কী হারাতে পারি শেষ তারার আড়ালে ?
