সালটা ১৯৩০,২২শে এপ্রিল,
চট্টগ্রাম, জালালাবাদ পাহাড়,
গাছপালাহীন শুষ্ক রুক্ষ্ম পাহাড়।
মাত্র ষাটজন বিপ্লবী,
বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে চট্টগ্রামকে।
প্রবল বৈশাখ,
জলের হাহাকার,
রাইফেল তপ্ত,
পিপাসায় খটখটে গলা,বুক।
তবু নাছোড় বিপ্লবীরা।
নেতৃত্বে মাষ্টারদা ।
ব্রিটিশ পল্টন বোঝাই ট্রেন এসে থামলো জালালাবাদ পাহাড়ের নিকটবর্তী ঝোপঝাড়ে।
সেদিন কামান নিয়েও পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল ইংরেজ পল্টন।
জয় ছিনিয়ে এনেছিল মাষ্টারদার নেতৃত্বে বিপ্লবীগণ।
চট্টগ্রাম মাষ্টারদা,
দুটি অভিন্ন নাম।
মাষ্টারদা চট্টগ্রামকে বিখ্যাত করেছিলেন।
সগর্বে ঠাঁই নিয়েছিল ইতিহাসের পাতায়।
চট্টগ্রাম আজও আছে ভৌগোলিক অবস্থানে একই জায়গায়,
আজ তার করুণ কাহিনী,
মাষ্টারদার জায়গায় আজ অত্যাচারিত,লুন্ঠিত,অবহেলিত এক সন্ন্যাসী,
সর্বত্যাগী গেরুয়া বসনধারী।
ধর্মীয় দামামায় নির্যাতিত,
বিনা বিচারে নির্বাসিত।
হায়রে চট্টগ্রাম!
ইতিহাস ভুলেছে।
গরিমা ছেড়ে আজ ভূলুন্ঠিত।
তবু অনড়।
ধ্বংসের লেলিহান শিখায় বিধ্বস্ত,
ফিরে আসুক চেতনা এই কামনায়।
চট্টগ্রাম থাকুক চট্টগ্রামেই
স্বমহিমায় স্ব দর্পে ।
