কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো করে ঘরে ঘরে
আলাপনা চালের গুড়োর নানা চিত্র ধরে।
ধানের শিষ আর লক্ষ্মীর পায়ের ছবি আঁকে মেয়ে
উপোষ করে ছোট্ট খুকী পরিশ্রমে নেয়ে।
আম্র পত্রে সিঁদুর ফোঁটা সাজায় দরজা জুড়ে
সাথে আছে গাঁদা ফুলের মালা দিয়ে মুড়ে।
কাঁচা হলুদ সুপুরির ডাল জোড়া পদ্ম রাজে
নতুন বস্ত্রে মাতা সাজেন মনে নন্দ বাজে।
ভোগের রান্নায় খিচুড়ি আর ভাজা ল্যাবড়া রবে
লুচি সুজি চাটনি নাড়ু পঞ্চ ভাজা হবে।
রান্না শেষে বলব মাগো দিলাম তোমায় খেতে
চুপটি করে বসবে তুমি আসন দিলাম পেতে।
সকাল থেকে তোড়জোর চলে তিলা কদমা আনো
কর্তা বাবু হন্তদন্ত বেজায় খাটনি মানো।
দধি মিষ্টি পান সুপারি গুনে গুনে নেবে
লক্ষ্মীরানি তুষ্ট হলে ধনসম্পত্তি দেবে।
সন্ধ্যাবেলায় গলায় বস্ত্র পাঁচালী বই পড়ে
ধূপে ধুনায় গন্ধে মম অন্তর খানি নড়ে।
মনের মাঝে ভয়ের বাসা কোনো খুঁত কি হলো
সব দোষ মা ক্ষমা করিস ভালোর নামটি বলো।
প্রসাদ দেবো ধনী গরিব সকল ভক্ত গণে
পান সুপারি আলতা সিঁদুর দেবো জনে জনে।
ভালোবাসা দিয়ে পুজো কোজাগরী রাতে
বেশী কিছু চাইনে মাগো রাখিস দুধে ভাতে।
