“বাঘ বনে শুয়ে লেপ মুড়ি দিয়ে গায়ে সামান্য জ্বর,
ছুঁচো ডাক্তার নাড়ি টিপে তার বলে কিছু নেই ডর।
বাঘিনীর হাঁক শিকারেতে যাও কচি ছাগ ধরে আনো,
হেঁচে হেঁচে সারা ছ্যাঁক ছ্যাঁক ভাব গতরে ক্লান্তি জানো।
হাই তোলে জোরে চোখ বুঁজে বলে চালিয়ে নাও গো রানি,
অলসতা লাগে তুমি কিছু করো মাথা ঘোরা শুরু মানি।
বুঝি সব কিছু শুধু ফাঁকিবাজি কুঁড়েমির রাজা তুমি,
লেপ থেকে ওঠো গর্জন ধরো পদতল তব চুমি।
আহা কর কিযে দেখি তবে গিয়ে ছাগশিশু যদি পাই,
নধর পাঁঠাতে মন নেই আজ কচি পেলে তবে খাই।
নোলা দেখি বড় শাবকের কথা প্রথমেতে আনো মনে,
বাছাদের মুখ শুকিয়ে আমশি বাবা শুয়ে লেপ সনে।
অগত্যা ওঠে ঠেলে ফেলে লেপ বিক্রমে বনে চলে,
কাঁপে পশু সব রাজা রেগে আছে শিকারটি চাই বলে।
খরগোশ দুটো ঘাড় ধরে আনে খেয়ে নেরে বাছা তোরা,
কেন যাও ফের হয়ে যাবে এতে ক্লান্ত শরীরে ঘোরা।
বাঘিনীর প্রেমে গদগদ হয়ে অল্পে তুষ্ট থাকে,
লেপখানি গায় দাও দেখি তুমি আদর খানি সে রাখে।
হালুম হালুম গরগর রবে দুজনেতে কথা কয়,
কাজ নেই বাবা বিশ্রাম করো অসুখেরে করি ভয়।
