শরৎচন্দ্র ছিলেন লেখক ঔপন্যাসিক ও গল্পকার
সাহিত্যাকাশে বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক,
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার কারণে তিনি
অন্যতম ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী ‘নামে ছিলেন পরিচিত অধিক।
সমাজ জাতির সংস্কৃতি কৃষ্টি নিয়ে লিখেছেন বাস্তব কথা
বঙ্কিম যখন অস্তমিত আর রবীন্দ্রনাথ ভাস্বর সেইসময় শরৎচন্দ্রের আগমণ,
লিখেছেন ক্ষেত্রবিশেষে ছদ্মনাম ‘অনিলা দবী নামে।
তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘বড়দিদি ‘ পায় ভারতী পত্রিকায় বিপুল সম্মান।
জন্ম তাঁর হুগলি জেলার দেবানন্দ গ্ৰামে, পিতার মাতুতালয়ে
পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায় ও মাতা ভুবনমোহিনী দেবী,
ডাকনাম ছিলো ন্যাড়া তাঁর, যাপন দারিদ্র্যতায় ভরা
তবু তাঁর দৃপ্ত লেখনী তুলে ধরেছে সমাজের জীবন্ত ছবি।
রামের সুমতি, দেবদাস,পল্লী সমাজ, দত্তা ,গৃহদাহ
পাঠকের মন কেড়েছে, পেয়েছে পড়ার উৎসাহ,
কুসংস্কার অনাচার সমাজের জন্য লিখেছেন প্রতিবাদী লেখা
বামুনের মেয়ে, মহেশ, পথের দাবী প্রভৃতিতে প্রকাশিত সমাজ বৈষম্য রেখা।
নাটক চলচ্চিত্রে আজও তাঁর লেখার সমান কদর
সাহিত্যিক হিসেবে ছিলেন সমাজ সংস্কারের আলোকস্তম্ভ,
জীবনের শেষ দিকে যকৃত ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে
এই মহান কথাশিল্পীর জীবন হয় চিরকালীন স্তব্ধ।
