পলাশের আবেশে অজান্তে কখন
বসন্ত এসে ছুঁয়েছিল দেহ মন ;
ভালোবাসার ফাগে রাঙিয়ে নিজেকে
অঝোরে ভিজেছিলাম,
নগ্ন পায়ে আবেগের ধারাপাতে ভিজেছিলাম ;
আশা আকাঙ্খার স্বপ্নে ছিলাম বিভোর।
ভালোবাসার গোলক ধাঁধায় ছুটেছিলাম ,
ভুল করে গোল্লা ছুটের কানা গলিতে ঢুকে ছুটে চলেছি আজও-
অচেনা এক দুর্গম পথ ধরে,
জানিনা শেষ কোথায় !
মনের অতৃপ্ত চাওয়া পাওয়া গুলো একপাশে সরিয়ে রেখে নিঃস্ব ফকির বেশে
কখন যেন ঢুকে পড়লাম,
শ্মশানের টানে বৈরাগ্য ভূমিতে শান্তির আশে ।
চারিদিকে জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ড,অকাল বৈধব্য, কুমারী মেয়ের স্বপ্নের তাজমহল কালিমালিপ্ত ,
শিশু সন্তানের অকাল মৃত্যু পুড়ে ছাই সব।
স্বজন হারানোর কান্নায় ভেসে গেলাম সিন্ধূপারের কালঘুমের দেশে।
চেতনাবোধ হারিয়ে দিব্য চোখে দেখলাম
জীবন কাহিনীর যবনিকা পতন !
জন্মের আগে অভিমন্যু হতে পারিনি ঠিকই, মৃত্যুর আয়নায় নিজেকে দেখতে পেলাম !
মরুভূমির বালুচরে দাড়িয়ে একা ;
চোরা বালির অতলে তলিয়ে যাচ্ছি ধীরে ধীরে চিরদিনের মতো-
হাত ধরে টেনে তুলবার কেউ নেই ;
কালের গর্ভে সব ফসিল !
পচা গন্ধে আবহাওয়া বিষাক্ত ;
অগরুর সুবাসও চাপা দিতে পারছেনা তার তীব্র কটু গন্ধ।
এমন এক নীলকন্ঠ আবারও ফিরে আসুক ;
যার আকন্ঠ পানে বিষময় পৃথিবী
হয়ে উঠুক অমৃত লোক !
রেখে যেতে পারলামনা তেমন কিছু নিদর্শন ;
আজ শেষ বিকেলে আফসোসের নেই শেষ, ব্যর্থ আমার জনম, বার্থ মানুষ বলে।
