হেমন্তের সকালে,
নবারুণ ছুঁয়ে গেছে নীড়,
অতীত স্মৃতিরা সব একে একে,
এসে করে ভিড়।
কৌশানির সূর্যোদয়ে
অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে সবাই ,
হঠাৎ নিস্তব্ধতা ভেঙে হল খান খান ।
খিল খিল হাসিতে
সুরের ঝর্ণাধারায় উঠল তান।
চমকের বিহ্বলতায়
পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি ,
আনন্দে আত্মহারা দাঁড়িয়ে তুমি একা।
সূর্যোদয় ভুলে মুগ্ধ নয়নে-
শুধুই তোমাকে দেখা।
আধো ঘুম, আধো জাগরণে,
পাহাড়ি প্রভাত, বিহঙ্গ কূজনে,
হৈমন্তিক, নবারুণ পেলব পরশে
শিশির ভেজা পায়ে
হরষে প্রকৃতি অপরূপ ।
সারল্যে স্নিগ্ধ ,
উচ্চ কলোছ্বাস উচ্ছল যৌবন তরঙ্গ ঝঙ্কারে,
মনোহরিণী এ রূপ !
শুধু তোমাকেই সাজে।
ভুলতে পারিনি সে রূপ
অপরূপা তুমি-
আজও তোমায় ভুলতে আমি পারিনি।
