ক্লান্ত রোদকে বলেছি হেলান দিয়ে
বিশ্রাম নিতে দুপুর ছায়ার কেদারায় ,
সটান চলে গেছে গোবির উনুনে ।
নুইয়ে পড়া ‘সুন্দরী’র শাখা
শেকড়ের নুন আঁকড়ে থেকেছে ,
আমার প্রেমিকা হয়ে ভিক্টোরিয়ায় হাওয়া খেতে যায়নি ।
ঝলসে যাওয়া মিছিলের শুকনো ঠোঁট
ঠান্ডা করবো বলে অব্যর্থ অলঙ্কার
খুঁজতে গেছি ‘ তমসা’র তীরে ,
মিছিলের পা আমার অনুপ্রাস অভিধানের
অপেক্ষায় থাকেনি ।
বহুমুখী দৃশ্যস্রোত গেঁথে গেছি সাদা খাতার
ভিতরে এক বহুরঙা দীর্ঘ নদীতে ।
ভেবেছি কবিতা লিখেছি বোধহয়
হাঃ হাঃ হাজারো হাজার !
আসলে বিশ্বাস অবিশ্বাসের না-বদলানো
চেতনার উপর দিয়ে সম্ভাবনার দিকে হাঁটছি ।
নিজেরই অবান্তর ব্যর্থতার শোক আর
ভাসচক্ষু সুখের সৃজন মিলে
কীভাবে বদলে দেবো উই আর ঘুণের স্বভাব !
