যখন অতীতের অপুষ্ট সভ্যতার অসমাপ্ত ইতিহাসকে
ঘাড় ধরে রুট মার্চ করানো হচ্ছে
জনাদেশের হাটে বাটে নগরে ও গ্রামে ,
তখন সময় দাবি জানাচ্ছে
ব্যক্তি নয় সমষ্টির কবিতা লেখা হোক ।
সুদীর্ঘ শান দেওয়া চেতনার চোখে রাজতন্ত্রের ঠুলি ,
ধর্মতন্ত্রের ছানি , বর্ণ বিদ্বেষের জং পরাচ্ছে যারা ,
তাদের তর্জনীর হাড় সোজা রেখেছে সংখ্যাগুরুদেরই
মেদ মাংস চামড়ার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন ।
একবিংশ শতাব্দীর পরিচয় জাতে আর পাতে !
খাত বন্ধ ভাতে ! অধীনতামুলক মিত্রতায় আর
মগজ বন্ধকজীবীর অতি উচ্চাশায় ! বমি পায় ।
স্বীকৃত স্বাধীনতাদেরও শুনানির জন্য আবেদন পাহাড়ের
নিচে শুয়ে থাকতে দেখে লজ্জা হয় ।
ব্যক্তির সামান্য বৌদ্ধিক বেদনার জলে
পৃথিবীর যোগ্য -অযোগ্য নামক এক আশ্চর্য
ঐতিহাসিক সমষ্টির চিঁড়েও ভেজে না ।
অর্ডারি আলোচনার মুখে
শীততাপ ফুলঝুরি জ্বলে আর নেভে ।
প্রকৃত মানুষের জন্য বড় কষ্ট হয় ।
