ইটভাঙ্গা প্রখরতায় ক্লান্ত আমি,
একটু একটু করে সাজিয়েছিলাম
শ্যাওলাধরা দৃষ্টি ক্ষীণতায় আমার
গোধূলির বাসরঘর মালা চন্দনে।
অভিলাষ উঠানে সবুজ মনময়ূরী
নাচে দু পায়ে নুপুর বাজিয়ে,
মনের দালানে ভাবনার আঁকিবুকি কেটে
মেঘলা সাঁঝে এলো বৃষ্টি ঝাঁপিয়ে।
শ্রাবনের রক্তিম আকাশ জল ছপছপ
সময়ের নিষ্পেষনে বিপর্যয়ের ধারাপাত,
পেছনে কাঁচ ভাঙা উল্লাসে মেঘমল্লার
অব্যক্ত ইচ্ছার অপমৃত্যু সজল ভৈরবীতে।
শূন্যতার বালুচরে ব্যথার বারোমাস্যা
ইচ্ছে পাখি ডানা মেলে আনমনে ভেসে যায়,
সম্পর্কের আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে
রূপকথার মায়াপুরীতে নিজের ছন্দে।
বাউল বিকাল যেন মরা গাছের কঙ্কাল
অপেক্ষার আঙিনায় নির্ঘুম বলিরেখা,
উকিঁ দিয়ে বলে যায় সম্পর্কের বলয়ে
শুরু হোক বর্ষার জলরোল,
আছি আমি শেষের শুরুতে।
