মধ্য মাঘের তুলতুলে শীত তোমার মধ্যাহ্ন শরীরে
এক কোয়া রসুন ফুলের গন্ধ মেখে তুমি এলে ।
বাসন , ব্যাঙ্ক , মাছের আঁশ , বাসের হাঁসফাঁস ইত্যাকার
সাংসারিক শব্দস্রোত তোমার গন্ধমাদন ঠোঁট থেকে সরিয়ে
জিজ্ঞেস করলাম — উপোসী কবিতার নিভন্ত তিতাসে
রূপসার ভরন্ত চুম্বন ভাবনা ঢেলেছো ব্যস্ত অবকাশে ?
দুলে উঠলো তোমার দ্রাক্ষালতার মতো দুলদুলে
সম্মতির সৃজন দৃষ্টি ।
তৎক্ষণাৎ মাথার উপরে সার সার সেজে গেলো
কামধেনুর কল্পবীজে অক্ষরবৃষ্টির রামধনু মেঘের মঞ্জিল ।
আমাদের কানে কানে বসন্তের বাঁশি বাজাতে বাজাতে
ষোলো বার ঘুরপাক খেলো প্রকৃতি- পালকের আনন্দ পাখি ।
বহিরঙ্গের সৌরব্যূহে থেকেও অন্তরঙ্গে জলতরঙ্গ আঁকড়ে
রয়েছো জেনে স্বয়ং সরস্বতী নেমে এলেন হংসধ্বণি তুলে !
মনের মানচিত্রে তখন রিপুহীন কপালকুণ্ডলার অরণ্যে
আমরা প্রথম শস্য -শিশিরের মতো চেয়ে রইলাম আবহমান ..
