“ভাঙা পূর্ণিমা,আধ ক্ষয়া চাঁদ, চুপকথা কাঁদে ধীরে,
ক্ষরণ নীরবে শেষের কাহিনি বলে যায় রজনীরে।”
প্রথম প্রেমের দহন মধুর বসন্ত রাগ মাখা,
কিংশুক আর কৃষ্ণচূড়ায় অভিমানী মন ঢাকা।
কামরাঙা রঙ গোধূলি বেলায় অম্বর জুড়ে রাজে,
বেলা শেষে দেখি বাঁকা চাঁদ ওঠে জোছনার সাথে সাঁঝে।
ক্ষয়িষ্ণু চাঁদ বেদনা মথিত খাঁচা আবদ্ধ যেন,
গভীর ক্ষতের কষ্টে রিক্ত দুখভারে ম্লান হেন।
কত স্মৃতি আজ হৃদি মাঝে জাগে চাঁদ পানে দেখি চেয়ে,
বুঝি অভিমানে জোছনা নীরবে দূরে দেয় পাড়ি ধেয়ে।
বিরহ বিধুর ফাগুন আগুনে পুড়ে সদা হৃদি প্রাণ,
আহত মনের অন্তরালেই স্তব্ধ খুশির গান।
ক্ষরণ নীরবে প্রস্তর চাপা কাহিনির ন্যায় রাজে,
মেঘের ঢেউয়ে যাপন ভেলায় মনোবীণা ক্ষীণ বাজে।
চুপকথা যত চুপ কান্নায় বিজনে গুমরে মরে,
ক্ষতবিক্ষত স্মৃতিগুলো সাথে বৃথা আলাপন করে।
জোনাকির আলো আঁধ ক্ষয়া চাঁদ নিঝুম রাতে আমি,
প্রিয়হীন ঘরে স্মৃতির আবহে কাটাই প্রহর যামী।
একাকিত্বের অভিমানে ছায় মনভূমি ক্রমে ধীরে,
রাবনের চিতা হয়ে অবিরাম জ্বলে অন্তর নীড়ে।
