আমার অভিমানের আয়ু কমে আসে ধীরে ধীরে
সময় আমার চিকিৎসক সাথী ,
অভিমানী ছায়ার বয়স কমাতে/ বাড়াতে পারে না সময়
যতই করুক ছায়ার সঙ্গে হাতাহাতি !
এভাবেই আমার দুঃখ-শোক-বিষাদ-বিরহ … ডুবে গিয়ে
একদিন সপ্তডিঙা মধুকরে আনন্দ আনে ,
অসুখী শোকের দুঃখ , দুঃখী ছায়ারা ভোলে না
শিরার শোনিতে ঢুকে মিশে যায় শেষ শ্বাস যানে ।
আঁতুড় শয্যা থেকে হাঁটি হাঁটি হাততালি ছেড়ে
যাপনের সব বাঁক ঘুরে আবারও শুরুর বালিশে !
শৈশব ছায়া । কৈশোর রোদে । যৌবনের মেঘ । প্রৌঢ় পাহাড়ে ।
অদ্ভুত রসায়নে অনির্বাণ ছায়াবৃষ্টি ঝরো ঝরো শ্রাবণ বাইশে !
যেহেতু ছায়ারা নির্বাচিত আজ কবিতা ভাবনায়
দৃশ্য নয় । স্মৃতি নয় । ছায়ার রাজত্বে শুধু ছায়ার জীবনী ।
যতই ঢাকি না কেন , দিনের আলোর পোশাকে রাতের কঙ্কাল
গন্ধমাদন ছায়ারা খোঁজে আমার ভিতর ভিতে বিশল্যকরণী ।
