ভুবন কাঁপানো শব্দে রাস্তায় বাজি ফাটছিল,
পাশের বাড়ির হৃদরুগী শব্দ যন্ত্রনায় হাঁপাচ্ছিল,
বেহুঁশ জনতা বাজির শব্দে হাততালি দিচ্ছিল।
হঠাৎ আলোর ঝলকানিতে চোখ আধাঁর হল,
আলোর বন্যায় শ্যামা পোকারা নাচছিল।
তীব্র দহন জ্বালায় পোকামাকড় জ্বলছিল,
ছেলেগুলো রাস্তায় মত্ত উল্লাসে নাচ করছিল,
প্যান্ডেলে শ্যামা মায়ের আরাধনা চলছিল।
ঢাকের তালে বাচ্চা বুড়ো খুশিতে নাচছিল।
ধনী পিতা থলে ভর্তি ছেলের বাজি কিনছিল,
ন্যাংটো ছেলের ক্ষুধার্ত হাত ভিক্ষা চাইছিল।
দীপাবলির আলোকমালায় চারদিক সেজেছিল,
উৎসবে সারাদেশ, আলোর বন্যায় ভাসছিল।
আধাঁরে বস্তির প্রসূতি, যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছিল,
অমাবস্যার চাঁদ লজ্জায় মুখ ঢেকে ছিল।
নাহ !!! হুঁশ নেই আমাদের কারো,
একি হল!! মানুষের চেতনায় পড়েছে গেরো।
শ্যামা পূজায় বাঁধনছাড়া আনন্দ উৎসব করি।
কোটি টাকা এক নিমেষে পোড়াতে পারি।
শব্দবাজির অনুশাসনকে বুড়োআঙুল দেখাতেই পারি।
শ্যামা মায়ের গর্বিত সন্তান মোরা এভাবে নিজেদের গড়ি।
