উন্নয়নের সীমাহীনতায় নীরবে প্রহর কাঁদে,
স্বপ্নেরা হায় মরীচিকা পথে পড়ে ছলনার ফাঁদে।
চঞ্চল মতি মানেনা বারণ মৌন হতাশ তবু,
কপাল লিখন নিষ্ঠুর হেন ভাবনা আসেনি কভু।
স্তব্ধ প্রহর রুদ্ধ চেতনা বেলানিল বিষে ভরা,
পাপের প্রবাহে কালোর কালিমা তৃষিত ব্যথিত ধরা।
বিষাদ আবহে বিপ্লুত হৃদি অবসাদে যায় পুড়ে,
কালের চাদরে মুখ ঢাকে লাজে স্মৃতিরা বক্ষ জুড়ে।
ভাগ্যের রথ যেন দিশেহারা পরাভূত পথ মাঝে,
তাসের ঘরের মতন ভেঙ্গে তছনছ হয়ে রাজে।
জীবনে হঠাৎ সাঁঝের আঁধার অমানিশা যায় ছেয়ে,
জোনাকিরা বুঝি মরমি ব্যথায় আশা দীপ জ্বালে ধেয়ে।
আশা নিরাশার দ্বন্দ্ব মমনে কী হবে উপায় ভেবে,
বিনিদ্র রাত কাটাই সভয়ে যদি সেই দীপ নেভে।
দ্যোতনা বিরাগে অভিমানী মন অদৃষ্ট লেখা দেখে,
অনুতাপে জ্বলে শুধু যে নীরবে কালিমার কালি মেখে।
মানবতাহীন স্বার্থান্বেষী হয়েছে বসুধা হাল,
বিষ-নীলে বায়ু ভরপুর আজ শকুনিরা চালে চাল।
জানিনা আদৌ স্বপ্নপূরণ হবে কিনা কোনো কালে,
ঝাপসা দুচোখ আশা নিয়ে বাঁচে যদি সুখ আসে ভালে।
