কোজাগরী সাগরের মতো তোমার জাগরী হৃৎপিণ্ডের
ঢেউ -জ্যোৎস্নায় আমার প্রতিটি শিরার শরীরী অক্ষর
হরফহীন হরিয়াল ঝাঁক হয়ে ঘোরে ।
আমার কবিতার খাঁচা খাঁ খাঁ খাতায় শুয়ে থাকে ।
শুধু তোমাকে ভেবে যাওয়া ভাবনার হাটে
হুবহু আমারই আদলের এক চারণ মুখে
তোমার চুম্বন ঘ্রাণের শ্রুতি বৃষ্টি হয় ।
তোমার পূর্ণ প্রকৃতি আলেখ্য টুকরো অনুবাদে ভরানো
দুঃসাধ্য জেনেও আমার সৃজন সুখে
ভাটার ছায়াও পড়ে না।
কেননা তোমাকে ভূর্জপত্রে সীমাবদ্ধ করতে গিয়ে
আমিও প্রচ্ছদে বন্দী হয়ে যাই ।
অতঃপর কৃপণ শব্দের হাত থেকে মুক্তির আনন্দে
তোমাকে ভাবতে ভাবতে ভাবনার পেখম গজালে
রামধনু দিগন্তে উঠে আমি ময়ূরীর অরণ্য গ্রহে
ভরশূন্য হেঁটে যাওয়ার ইউরেকা উল্লাস ছেড়ে
লেখ্য উচ্চারণে বলো ফিরে যেতে পারি ?
