নিবেদিতা দে
লেখিকা পরিচিতি
—————————
নাম : নিবেদিতা দে
বর্ধমান শহর নিবাসী নিবেদিতা দে,নিজেকে ওই তথাকথিত কবি,লেখিকা তকমায় ভাবতে একেবারেই অখুশি তবু সংসার,দায়িত্ব ব্যস্ততার ফাঁকে উদাস হয়ে মেঘ হয়ে আকাশের বুকে উড়ে যায়,ডানা মেলে ভাসে সৃষ্টি করে একের পর এক কবিতা।এই কবিতা যাপনে তিনি রঙ তুলি সম কলমে নীল আকাশের বুকে আঁচড় কেটে সৃজন শীলতায় মাতেন। লিখে চলেছেন নানা কবিতা,গল্প স্মৃতিচারণা। একক কাব্য গ্রন্থ “নীল মেঘ”কবির ভাবুক কলমের অনন্য দলিল।
লেখিকার সৃষ্টি

ভারত মাতা || Nivedita De
ভারত মাতা আগামীকাল স্বাধীনতা দিবস। মাইকে অনুষ্ঠান ঘোষণা ও দেশাত্ববোধক

বৃষ্টি কথা || Nivedita De
এক নাগাড়ে বৃষ্টি শব্দ কি যেন,বলে যায় ফিসফিসিয়ে,বৃষ্টির নিজস্ব এক

এক মুঠো রোদ্দুর || Nivedita De
স্নিগ্ধ ভোরে পাখির কুজনে অস্ফুট স্বরে,কিছু কথা যদি আসে ভেসে,দূর

কথার ভিতর ঢেউ || Nivedita De
তোমার কথার ভিতর ঢেউ,হারিয়ে যাই বারে বারে,সমুদ্রের ন্যায় তুমি গভীর,তোমার

সংশয়ের আবেগ || Nivedita De
হৃদমাঝারে রাখবো বললেই,জোর করে কিছুই রাখা যায় না,ভাবনার মতো করে

সহজ পাঠ (2) || Nivedita De
তুমি কী প্রেমে পড়েছো?লিখছো রূপকথার গল্প,কিংবা দুঃখী ময়নামতির কবিতা!কবিতা তো

যখন চোখের তারায় আয়না ধরো || Nivedita De
তুমি আমার কাছে কী!তা বলার অপেক্ষা রাখে না,সে কথা কাব্যি

সহজ পাঠ || Nivedita De
দিন শুরু হয়, সন্ধ্যা নামে,তোমায় ঘিরে আলো আঁধারি,বনছায়ার তলে।আকাশের বুকে

অন্যরকম শ্রাবণ || Nivedita De
অন্যরকম শ্রাবণ এবারের শ্রাবণ অন্যরকম। অবিরাম বৃষ্টিতে প্রকৃতির অবয়বে ক্লান্তি

নাছোড়বান্দা বৃষ্টি || Nivedita De
নাছোড়বান্দা বৃষ্টি পড়ে সর্বক্ষণ,র্ঝিরিঝিরি শব্দে মন উচাটন।এবারের শ্রাবণ জিদ্দি ভীষণ,অবিশ্রান্ত

জীবন নদী || Nivedita De
জীবন তরী ভাসিয়ে দিলাম নয়ন জলে,নদী বয়ে চলে সুখ-দুঃখের স্রোতে,আঁকা

একটা হারিয়ে যাওয়া গল্প… || Nivedita De
একটা হারিয়ে যাওয়া গল্প… তিন বছরের ছোট্ট পুতুলের মতো মেয়ে

ভালোবাসার জমি || Nivedita De
ভালো বাসায় এমন কি আছে?দু- চোখে নামে অকারণ বৃষ্টি!সুখে দুঃখে

বর্ষা এলে || Nivedita De
তুমি এলে বর্ষা বাদল দিনে,বৃষ্টি ভেজা প্রথম কদম ফুলে,সুবাস ছড়িয়ে

চলো আবার বৃষ্টিতে ভিজি || Nivedita De
নরম মনের ভিতরে আলতো ঢেউ,কেমন করে? ছুঁয়ে ছুঁয়ে দাও গভীরে!তোমার

ভালোবাসার স্টেশন || Nivedita De
শক্তপোক্ত বাঁধনে আমাদের,এই পবিত্র বন্ধন,এতো ঠুনকো নয় জেনো,যতই আসুক কালো

পাওয়া, না পাওয়া || Nivedita De
পেয়েও যেন পাওয়া হলো না,রয়ে গেল, না পাওয়ার রেশ।আজীবনের বন্ধুত্ব

কাজল চোখ || Nivedita De
আমার আছে কাজলপরা চোখ,দীঘল ঘেরা সমুদ্দর নোনা জল।ভালোবেসে প্রবল স্রোতে

প্রতিচ্ছবি || Nivedita De
আমার চোখের কাজলে,শুধু তোমার নাম লেখা থাকে,তবুও ভালোবাসা কাকে বলে,এখনও

শিকড়ের টান || Nivedita De
আসলে কী জানো,চলে যাওয়া টা খুব সহজ,মাটি আঁকড়ে পরে থাকাটাইসবচেয়ে

থেকো আমার অনুভবের ঘরে || Nivedita De
ভালো তো বাসিনি তোমকে,শুধুই কষ্ট দিয়েছি অনাদরে,অবহেলে,ভালোবাসা ভালো থাক অনুভবের

এক অনন্ত অনুভূতি || Nivedita De
ফুটে থাকা বুনো ফুল কে যতোই রাখো অনাদরে অবহেলায় অযত্নে।তবুও

বাঁশির সুরে || Nivedita De
চলে যেতে আসিনি প্রিয়তম,যদি হাত ঠেলে দূরে দাও সরিয়ে,উড়িয়ে দাও

জল ছবির ছবিতা || Nivedita De
কতোশতো বিনিন্দ্র রজনী,কতো অপেক্ষার পর আসে প্রতীক্ষা।কতো সময় পার করে,কতোটা

কবিতা ও তুমি || Nivedita De
রাত জাগা পাখি তুমি,শব্দ শ্রমিকের মতো যখন তুমি কবিতা লেখ।নির্ঘুম














