জন্মে নারী শিখে গেছি আবেগকে বাঁধতে,
অবহেলা বিদ্রূপে চুপিচুপি কাঁদতে।
পরিস্থিতির পরিহাসে কটু কথার আঘাতে,
তাসের পরিবারে একাকী কাটাতে।
কত ব্যথায় হৃদয় পুড়ছে অতিশয়,
ভুলতে চেয়ে দেখেছি সময়ের অপচয়।
তাসের ঘরের মত আশার স্বপনগুলি, নিমেষেই ভেঙে পড়ে তীব্র ঝঙ্কার তুলি।
নীরবে অন্তর কাঁদে শুনে তাচ্ছিল্যের কথা,
ক্রোধের বশে বললেও বিষকথা দেয় মানসিক ব্যথা।
বিশ্বাসের হয় ছন্দপতন তবু সংসার ধরে রাখতে,
মানাতে হয় নারীকে একটু ভালো থাকতে।
শত বিঘ্ন-পরিহাস, মান অভিমান অনুভূতিগুলোকে,
সহজেই তুলে রাখে ভাঙা মরচে ধরা হৃদি সিন্ধুকে।
আত্মবিশ্বাসে ভর করে এগিয়ে চলা নারীর জীবন,
কেউ বুঝেনা অভিমান, খুঁজে না অনুরাগ, মনের ক্ষতের দহন।
জরাজীর্ণ মনে নারী তবুও পরিস্থিতি সামলায়,
আত্মবিশ্বাসে গড়া নারীর মর্যাদা সদা খ্যাতি পায়।
পুরুষ যতই করুক নারীকে অবহেলা … বঞ্চনা,
তাঁরাও জানে নারী সংসার যজ্ঞের প্রধান হোতা, নয় ফেলনা।
