সুন্দর একটা নির্জন ঘেরা বাগান
ঝুল বারান্দা দিয়ে দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট।
কতটুকুই বা দূরত্ব, মনোরম শোভা।
পাশেই একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে,
মনে হয় অনেক পুরোনো।
ছোটো একটা শীর্ণ নদী বয়ে চলেছে সামনে দিয়ে।
নদীর ওপারে একটা রাধাচূড়া, তারও শাখার বিস্তার।
এমন সুন্দর ছায়াময়, তাকিয়ে থেকে মনে হলো কত চেনা।
ফাগুন রাতের এ কুঞ্জবিতানে অপার্থিব আলোর মাখামাখি।
অপরূপ প্রভায় আলোকিত চারিদিক।
তাকিয়ে দেখছি আর এক কল্পকাহিনি আঁকা হলো মনে।
কৃষ্ণচূড়া যেন দিচ্ছে হাতছানি
রাধাচূড়াকে কাছে পেতে।
রাধাচূড়ার মিষ্টি বাঁকা হাসি,
হলদে সোনা বরণখানি তার আকাশ বাতাস মুখরিত করে রাখে।
কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম ফুলে ভরা শাখা যেন আবেগপ্রবণ হয়ে চায় আলিঙ্গন করতে রাধাচূড়াকে।
অহং মনে ভাবে তোমার হলুদ রূপের পরিপূরক আমি লাল।
ব্যাকুল হয়ে পাপড়ি তার ওড়ে বাতাসে
ঝরে নদী জলে।
রাধাচূড়ার চোখ ধাঁধিয়ে যায়,
ওর হৃদয়ের সন্ধান পেতে চায়।
তারতো ঝরেনা পাপড়ি অমন এতো,
কষ্ণচূড়ার প্লাবন ঝরার মতো।
তাই শাখার বিস্তার এপারে,
বাড়িয়ে দিয়েছে বুঝি বন্ধুত্বের হাত।
