হিমেলের স্তব গানের সুরে গাইছে পাখি ওই
শীতের আবেশ গায়ে মেখে ঠাণ্ডার কথা কই।
সকাল বেলায় হিমের পরশ চাদর লাগবে সই
স্নানের শেষে দাঁতে কম্পন মিঠে রোদে রই।
শিশির পড়া দূর্বা ঘাসে আলোর দ্যূতি রয়
মুক্তো দেখে মনের মাঝে ভীষণ খুশি হয়।
লকলকিয়ে উঠেছে ধান হিমেল স্তবগান গায়
পাখির খেলা ধানের শিষে হিমের বাতাস বায়।
কুয়াশার মেঘ নেমে আসে পথের পরে ছায়
ওমের ধোঁয়া মুখে তুলে স্কুলের বাচ্চা যায়।
শীতের পোশাক গায়ে দিয়ে গরম ধরতে চায়
ফুটন্ত চা অধর ছুঁয়ে কিছু গরম পায়।
হিমের রাতে তারার পানে ঠাম্মা চেয়ে কয়
ওই দেখো ভাই সপ্তর্ষি আজ দীপ্ত কেমন রয়।
ছেলে ভোলায় কথার তরে দাদুর খোঁজে হায়
তারার মাঝে অন্বেষণে খুঁজে পেতে চায়।
খেজুর গুড়ের পিঠা হবে কৃপণতা নয়
তিল পাটালি খাবে সবাই গরম বোধটি হয়।
ফুলের গন্ধ আসছে ধেয়ে ঘ্রাণে সুবাস পাই
সাজাবো আজ নানান ফুলে হিমের রাতটি চাই।
