এক সৃজ্যমান স্মৃতি -সেতুর ঘুর প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছি ।
প্রান্ত শব্দের বিশ বাঁও উত্তরে খিলখিল করে ভেসে উঠছে
আমার-ই কলমি – কৈশোরের দোল দোল গোলাপিয়া কুঁড়ি ।
সেই কুঁড়িদের হাসি নেড়ে বাসি বোধে বলি
— শোনো তোমরা ,
মনের মতন না-ফোটার ক্লান্তি কলে নাগরিক নিষাদ হয়েছি ।
তমসা’র তির বয়ে’ বয়ে’ সরযু’র শ্লোক হতে পারলাম কই !
অসমাপ্ত শ্লোকের শরীর থেকে আমার প্রতিটি শিরায়
বেজে উঠেছে টাপুর যৌবন -ছায়ার টুপুর দুপুর ।
দুপুরের ভাত ঘুম শুষে , শুরুর সৈকতে তখন
অনর্গল জীবনের জাতক জলপ্রপাত !
জলপ্রপাতের শেষহীন শিরিন শিশির- পথে
আমার-ই শেষ পরিচয়ের সন্ধানে
আমি নতুন নতুন স্মৃতির কর্নিয়ায় জন্মদৃষ্টি পাবো বলে
আগামী কবিতার তীর্থরথে আধোঘুম চোখে জেগেই রইলাম…
