পাথর
নিজেকে
চিরস্থায়ী ভেবেছিল।
শেওলা
কোনো প্রতিবাদ করেনি।
প্রাসাদগুলো
রাতে
নিজেদেরই শব্দে
চমকে ওঠে।
ইট জানে—
উচ্চতা
স্থাপত্যের,
স্থায়িত্বের নয়।
যারা
আকাশ মাপে,
তারা প্রায়ই
মাটির স্পন্দন
শুনতে পায় না।
একদিন
দরজার কপাটে
মরচে পড়ে।
তারও আগে
মরচে পড়ে
আদেশে।
সময়
কোনো পতাকা ওড়ায় না।
শুধু
রং বদলানো কাপড়গুলোর
হিসেব রাখে।
কিছু হাত
রুটি গড়ে।
কিছু হাত
আইন।
ক্ষুধা
কোনো পার্থক্য
মেনে নেয় না।
নদীকে
মানচিত্রে
সোজা আঁকা যায়।
জলকে
কখনও নয়।
ইতিহাস
কালির চেয়ে
ক্ষতকে
বেশি বিশ্বাস করে।
সব কণ্ঠ
উচ্চারণ নয়।
কিছু নীরবতা
সহস্রাব্দের
ব্যাকরণ।
তারপর
কোনো এক ভোরে
দেয়ালগুলো
হঠাৎ
দরজার মতো
দেখাতে শুরু করে।
প্রতিধ্বনিগুলো
নিজেদের
উৎস খুঁজতে থাকে।
আর
পৃথিবী
ধীরে,
অবিচল,
কোনো ঘোষণা ছাড়াই
উচ্চারণ করে
জনগণ।
