ছুটি কাটাতে গেছি নির্জন এক পাহাড়ী গ্রামে,
হিমালয়ের বুকে স্নিগ্ধ নিসর্গ এক অপরূপ ধামে।
ভোরে উঠে দাঁড়িয়েছি জনশূন্য রাস্তার ধারে,।
একদিকে গভীর খাদ, অপরদিকে গাছগাছালি ভরে
হিমেল বাতাস বইছে শিরশিরিয়ে,
সূর্য উঠছে আকাশে রঙ ছড়িয়ে।
দূরে দেখি এক মেঘের মেয়ে,
আমার দিকেই আসছে ধেয়ে।
আমার কাছে এসে মিষ্টি হাসি দিয়ে,।
আমায় বললো সেই মেয়ে
“খেলবি লুকোচুরি খেলা
আমার কিন্তু লুকোবার পালা”
কথাটা শুনে মনে এল বালক বেলার স্মৃতি,
কাজলের সাথে কতনা খেলেছি দিনরাতি।
খুঁজে পেলেই কাজল উঠতো হেসে খিলখিলিয়ে,
দৌড়ে আবার যেত সে লুকিয়ে।
আমি বললাম ‘খেলবো’– চললো সে লুকাতে,
মিলিয়ে গেল গিয়ে জঙ্গলেতে।
চেষ্টা করেও তাকে দেখতে পাই না কিছুতে,
একটু পরে সামনে এসে দাঁড়ালো মুচকি হেসে।
বললাম-“আমার সাথে যাবি আমার বাড়ি
নইলে তোমার সাথে আড়ি”।
খিলখিলিয়ে হেসে বলে মেঘবালা,
“তা কি গো হয়? আমার ভালো লাগে এ খেলা।
স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াই গোটা দেশ,
যেখানে দেখি মাটির রস শেষ।
ঝরঝরিয়ে ঝরে পড়ি সেথা,
গাছগাছালিকে জেগে ওঠার দিই বার্তা”।।
