অপূর্ণ ইচ্ছে -শোকের দাবানলে যুগপৎ দপ্ করে পুড়ে
কীভাবে যে ছপ্ ছপ্ নিভে যাই উৎস দমে , নদী !
সারিসারি সৌর সংক্রান্তি পেরোনো ভ্রূ- সন্ধির তৃতীয় পথে
শুধু শ্বাসের পলক টানে খুঁজে ফিরি সেই আশ্চর্য ঔষধি ।
আষ্টেপৃষ্ঠে পাওয়ার পাকানো জটের যন্ত্রণায় নয়
যতবার বুড়ি ছোঁয়া ততবার নতুন পেয়েছি’র আনন্দ পানে ।
আবিস্কার -সুখ টুপ্ করে পড়ে -পাওয়া
চোদ্দো আনার শিকেয় তুলে যেভাবে সৃজন খোঁজের ধ্যানে
নিমগ্ন ” কেকুল ” অনুতে ভাসে সর্পবলয়
বহুভূজ জীবনের উত্তরে ইউরেকা স্বপ্নের যানে ।
কিছু কিছু না- পাওয়ার আহত আকাশে ওড়ে
ফুরফুরে দরবেশী শুশ্রুত মেঘ ,
কিছু কিছু বেশরম চাওয়ার বৃন্তে ফোটে আজীবন
মুচমুচে বৃষ্টির ফুটি ফুটি পাপড়ি আবেগ ।
বিঃ দ্রঃ — বৈজ্ঞানিক ” কেকুলে ” জৈব রসায়নের যুগান্তকারী ষড়ভুজ বেনজিন গঠনের আবিষ্কারক এবং অ্যারোমেটিক যুগের জনক ।
