মদের নেশায় দুলছে ভালুক, ভাবছে বনের রাজা,
আঁখি ঢুলু ঢুলু রক্তিম রঙ, মনে হয় খায় গাঁজা।
গন্ধে বিভোর আসক্ত তাতে মুখে ধরে শত শত
মাতলামি করে টলমান বপু কলরব করে কত।
বুকের পাঁজরে দামামা বাজায় বনের রাজার বেশে
লম্ফ লাগায় হনুমান সব হাতে গাঁজা দেবে শেষে।
রগড় দেখতে আসে পশুরাজ মুচকি হাসির তলে
নিদান দিলেন চোবাও খানিক ডোবা পুকুরের জলে।
নেশা গেল কেটে চোখ কচলিয়ে লজ্জায় মরে হেসে
ঝিমঝিম মাথা শরীরে দুলুনি খকখক করে কেশে।
জব্বর নেশা মাঠে মারা গেল তবু পায়ে তাল ধরে
গোল বৈঠক বসে অবশেষে পশুপাখি সব ভরে।
বিচারের রায় বাঘের মাসিকে বিবাহ করতে হবে,
শাসনে বাঁধনে আটকা পড়বে জব্দ তখন রবে।
কাকাতুয়া ওড়ে সন্দেশ নিয়ে বিয়ের বাসরে এসো
ছুটে আসে যত পশুপাখি শত বাঘ মামা আর মেশো।
হৈ চৈ রবে জৌলুস আসে বিয়ের আসর মাঝে
আরে রাম রাম! মহুয়ার দারু বিতরণে বর সাঁঝে।
চেটে পুটে খায় কন্যাযাত্রী বেশামাল হয়ে ডাকে
লাফালাফি করে শাখামৃগ দলে টানে গাঁজা তরু শাখে।
