পলাশ শিমুল রঙ বিলাসে দিল দরিয়ায় উঠলো তুফান,
নীল দিগন্তে ফুলে আগুন হাতছানি দেয় উতল পরান।
দূর আকাশে কামরাঙা মেঘ শ্বেত বলাকা দিচ্ছে পাড়ি,
মন ছুটে যায় তারই পাখায় দিগন্তের ওই বলয় ছাড়ি।
রাঙা মেঘের নীল মখমলে আপন মনে করে বিহার,
ব্যথার পাথার সাঁতরে কভু মেঘের ঘরে যাচে নীহার।
অশান্তিময় জীবন মাঝে একটু কেবল শান্তি যে চায়,
বিষাদ ব্যাকুল মনটা যে তাই খুশির আধার খুঁজে বেড়ায়।
আকাশ গঙ্গা বইছে দেখে চিত্ত উছল পাগল পারা,
মন্দাকিনীর শুভ্র ধারায় হৃদয় কোথায় হয় যে হারা।
নদী যদি দু’হাত বাড়ায় কান্না আমার পূর্ণ হবে,
স্নিগ্ধ শান্ত অমল ধবল স্রোতস্বিনীর স্পর্শে তবে।
রঙের খেলায় মেঘের মাতন বিষণ্ণতা দেয় ভুলিয়ে,
চুপকথা সব আবেগ মোহে খেলায় মাতে মন দুলিয়ে।
অন্তবিহীন নভের মাঝে ভাবনা ছোটে অচিন দেশে,
কল্পকথার কাহিনিতে স্বপ্ন বুনি অবশেষে।
অশ্রুধারায় ভাবুক মনন বেসামাল হয় হঠাৎ অতি,
আনন্দেতে আবার কখন উদ্বেলিত মনের গতি।
বাঁচার ইচ্ছে নতুন করে ওঠে জেগে অন্তর মাঝে,
মনোবীণায় মেঘ রাগ বাজে সুখ আবহে হৃদয় রাজে।
